০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

৫৫ একর জমিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের নতুন ঘাঁটি সীতাকুণ্ডে

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের বিশাল জমি ও স্থাপনা এবার দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে প্রায় ৫৫ একর জমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর ও এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই জমিতে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা বা বিওএফের সম্প্রসারণ করা হবে।

এর ফলে চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় সমরাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে ওঠার পথ তৈরি হলো। নতুন স্থাপনায় আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা সামগ্রীসহ দেশে উৎপাদিত সকল ধরনের পণ্য বহির্বিশ্বে সমাদৃত করতে চায়। এছাড়াও, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা শিল্পসহ সশস্ত্র বাহিনী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেনা প্রধান তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, তিনি আগত অতিথিগণকে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁদের সর্বাত্বক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, জলিল টেক্সটাইল মিলস বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতীকী মূল্যে এর ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি ও স্থাপনা বিওএফ সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা খাতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানো এবং সমরাস্ত্রের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। গাজীপুরে বিদ্যমান বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার সক্ষমতা সম্প্রসারণের প্রয়োজন থেকে চট্টগ্রামের এই জায়গাটি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের পরিধি বাড়াতে উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিউএমজি লেঃ জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি। স্বাগত বক্তব্য শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ কর্পোরেশনের পক্ষে চেয়ারম্যান, বিটিএমসি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে মিলিটারি এস্টেট অফিসার, ইস্টার্ন সার্কেল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিত্ব করে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অতঃপর চেয়ারম্যান, বিটিএমসি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল; সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী; সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, কমান্ড্যান্ট, বিওএফ; ভারপ্রাপ্ত জিওসি, আর্টডক ও কমান্ড্যান্ট, বিএমএ; কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসি; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া, সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, সিডিএ চেয়ারম্যান এবং সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকতাসহ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত, জলিল টেক্সটাইলকে বিওএফ সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহারের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৪ সালে। ওই বছরের ৩১ অক্টোবর সেনা সদরের কিউএমজি শাখা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণের জন্য জলিল টেক্সটাইল মিলস বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়। এর আগে ২০২৪ সালের জুনে সেনাপ্রধান বিশেষজ্ঞ দলসহ মিলটি পরিদর্শন করেন।

পরে বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যায়। ২০২৬ সালের ১ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

জলিল টেক্সটাইলের প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের অধীনে নেওয়া হয়। মিলটিতে ১২ হাজার ৪০০ স্পিন্ডলের স্পিনিং ইউনিট ছিল। পরে উৎপাদন বাড়াতে উইভিং ও ডাইং বিভাগ চালু করা হয়।

মানসম্মত সুতা ও কাপড় উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একসময় তিনবার জাতীয় স্বর্ণপদক লাভ করে। তবে পরবর্তী সময়ে লোকসান, অব্যবস্থাপনা ও মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মিলটি সংকটে পড়ে। ২০০৪ সালে এর উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৭ সালে সরকার মিলটি পুনঃগ্রহণ করে এবং বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণে ন্যস্ত করে।

ডিএস./

ট্যাগ :

ফরিদপুরে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়

৫৫ একর জমিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের নতুন ঘাঁটি সীতাকুণ্ডে

প্রকাশিত : ০৫:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের বিশাল জমি ও স্থাপনা এবার দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে প্রায় ৫৫ একর জমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর ও এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই জমিতে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা বা বিওএফের সম্প্রসারণ করা হবে।

এর ফলে চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় সমরাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে ওঠার পথ তৈরি হলো। নতুন স্থাপনায় আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদন অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা সামগ্রীসহ দেশে উৎপাদিত সকল ধরনের পণ্য বহির্বিশ্বে সমাদৃত করতে চায়। এছাড়াও, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা শিল্পসহ সশস্ত্র বাহিনী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেনা প্রধান তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, তিনি আগত অতিথিগণকে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁদের সর্বাত্বক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, জলিল টেক্সটাইল মিলস বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতীকী মূল্যে এর ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি ও স্থাপনা বিওএফ সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা খাতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানো এবং সমরাস্ত্রের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। গাজীপুরে বিদ্যমান বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার সক্ষমতা সম্প্রসারণের প্রয়োজন থেকে চট্টগ্রামের এই জায়গাটি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের পরিধি বাড়াতে উচ্চপ্রযুক্তির উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিউএমজি লেঃ জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এইচডিএমসি, পিএসসি। স্বাগত বক্তব্য শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ কর্পোরেশনের পক্ষে চেয়ারম্যান, বিটিএমসি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে মিলিটারি এস্টেট অফিসার, ইস্টার্ন সার্কেল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিত্ব করে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অতঃপর চেয়ারম্যান, বিটিএমসি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল; সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী; সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, কমান্ড্যান্ট, বিওএফ; ভারপ্রাপ্ত জিওসি, আর্টডক ও কমান্ড্যান্ট, বিএমএ; কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসি; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া, সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, সিডিএ চেয়ারম্যান এবং সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকতাসহ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত, জলিল টেক্সটাইলকে বিওএফ সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহারের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৪ সালে। ওই বছরের ৩১ অক্টোবর সেনা সদরের কিউএমজি শাখা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণের জন্য জলিল টেক্সটাইল মিলস বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়। এর আগে ২০২৪ সালের জুনে সেনাপ্রধান বিশেষজ্ঞ দলসহ মিলটি পরিদর্শন করেন।

পরে বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যায়। ২০২৬ সালের ১ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জলিল টেক্সটাইলের ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

জলিল টেক্সটাইলের প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের অধীনে নেওয়া হয়। মিলটিতে ১২ হাজার ৪০০ স্পিন্ডলের স্পিনিং ইউনিট ছিল। পরে উৎপাদন বাড়াতে উইভিং ও ডাইং বিভাগ চালু করা হয়।

মানসম্মত সুতা ও কাপড় উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একসময় তিনবার জাতীয় স্বর্ণপদক লাভ করে। তবে পরবর্তী সময়ে লোকসান, অব্যবস্থাপনা ও মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মিলটি সংকটে পড়ে। ২০০৪ সালে এর উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৭ সালে সরকার মিলটি পুনঃগ্রহণ করে এবং বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণে ন্যস্ত করে।

ডিএস./