মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের বক্তারকান্দি গ্রামে মাদকবিরোধী র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলাকালে একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে একটি বড় ও পাঁচটি ছোট গাঁজাগাছ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী কর্মসূচির দিনেই গাঁজাগাছ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার(২৯ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বক্তারকান্দি ও শান্তিনগর গ্রামের বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে৷ বক্তারকান্দি গ্রামে মাদকবিরোধী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মাদক বিরোধী র্যালীতে বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক এবাদুল হক, ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য সবুজ, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক শান্তি, শহিদ মিয়া সহ স্হানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালির একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বক্তারকান্দি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় মাদক সেবনের আস্তানা রয়েছে বলে জানান। পরে বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক এবাদুল হকসহ র্যালিতে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা ওই স্থানটি পরিদর্শনে যান।
এ সময় পরিত্যক্ত জায়গাটিতে মাদক সেবনের কিছু আলামত দেখতে পান তারা। একপর্যায়ে ওই স্থানের পাশে একটি বড় আকারের তাজা গাঁজাগাছ দেখতে পান। পরে আশপাশে খোঁজ নিয়ে আরও পাঁচটি ছোট গাঁজাগাছ শনাক্ত করা হয়।
মাদকবিরোধী র্যালির দিনেই পরিত্যক্ত স্থানে গাঁজাগাছ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, গাঁজাগাছগুলো কে বা কারা রোপণ করেছে এবং ওই স্থানে কারা মাদক সেবন করে তা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবাদুল হক বলেন, মাদকবিরোধী র্যালির একপর্যায়ে কিছু লোক বলছিল, এখানে মাদকের একটি আস্তানা আছে, যেখানে তারা বসে মাদক সেবন করে। আমরা ওই পরিত্যক্ত জায়গাটি পরিদর্শনে গিয়ে মাদক সেবনের কিছু নমুনা দেখতে পাই। এর পাশেই একটি তাজা গাঁজাগাছ দেখতে পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে গাঁজাগাছগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ডিএস./



















