পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এস এম মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, প্রশাসনিক হয়রানি, জ্বালানি খাতে প্রশাসনিক অস্থিরতা, অনিয়ম ও দূর্নিতির অভিযোগ তদন্ত এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর পেট্রোবাংলার গেইটের অভ্যন্তরে দেয়ালে তার স্বরণে টানানো ব্যানার খুলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে ধৃষ্টতা দেখিয়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে অপমান করার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সারা দেশ থেকে আগত পেট্রোবাংলার ১৩ টি কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্নয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্তর্ভুক্ত সংগঠন বাংলাদেশ তৈল,গ্যাস ও খনিজ সংস্থা শ্রমিক ফেডারেশন রেজি- নং -বি -১৮৩৮ এর আয়োজনে ঢাকার কাওরানবাজাররস্হ পেট্রোসেন্টারের নিচে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আগত বক্তারা তাদের বক্তব্যে পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এস এম মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে দ্রুত তাকে পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এর পদ থেকে অপসারন করতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। এসময় বক্তারা বলেন, মাহবুব আলম আপাদমস্তক একজন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী,সে সৈরাচারী আওয়ামী লীগের একনিষ্ট দোসর, ইতিমধ্যে সে তার পদে আসীন থাকার সমস্ত যোগ্যতা সে হারিয়েছে।
তারা এসময় তার বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত ব্যানার খুলে ফেলে দিয়ে অপমান করে ধৃষ্টতা দেখানো ,কর্মক্ষেত্রে তার একক আধিপত্য ও সিদ্ধান্ত, স্বেচ্ছাচারিতা, পদোন্নতি ও বদলি, প্রেষন ও প্রশিক্ষনে অনিয়ম, যোগ্য ও বঞ্চিত কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরনসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন এবং এসব ব্যাপারে সঠিক তদন্ত ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দ্রুত তাকে পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এর পদ থেকে অপসারণ করতে সরকারের প্রতি দাবী জানান।
পাশাপাশি তারা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ সম্বলিত একটি স্মারকলিপিও প্রদান করেন। এসময় সমাবেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম,ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব আনোয়ার হোসাইন খান,সংগঠনটির সভাপতি খন্দকার জুলফিকার মতিন,সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড সি বি এ এর প্রেসিডেন্ট মোঃ নূর আলম, সাধারন সম্পাদক হায়দার আলী ছাড়াও পেট্রোবাংলার অধিনস্ত ১৩টি কোম্পানির সিবিএ নেতৃবৃন্দ, পেট্রোবাংলার শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সকল নেতৃবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
ডিএস./
























