০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

গজারিয়ায় দীর্ঘ সাঁকো বেয়ে উঠতে হয় কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বুলির খালের উপর দুই দফায় ৭ বছরে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন সেতু নির্মাণ করলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এক পাশে দীর্ঘ সাঁকো ও অপর পাশে মই আকারের সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠছে স্থানীয় জনসাধারণ।স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতু পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের।

জানা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রত্যন্ত আব্দুল্লাহপুর-আড়ালিয়া গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাদের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার জন্য ২০১৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) ৬০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করে।সেই সময় ৩কোটি ৪৮ লাখ টাকায় কাজটা পান আহমেদ ষ্টীল ইন্ড্রাষ্টি নামে একটা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিন্তু তাঁরা ব্রীজের পাইলিং এর কাজ করে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় ও তাদের কাজের সমপরিমান বিল উত্তোলন করে কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে যায়,পরে দুই বছর পর বাকি কাজের জন্য এলজিইডি”জিডিপি ৩”প্রকল্পের আওতায় আবারও তৎকালীন বাজার দরে টেন্ডার আহ্বান করলে ৩ কোটি ২০ বিশ লক্ষ টাকায় কাজ পান ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান, তারাও গত ৭/৮ পূর্বে ব্রীজ নির্মাণ কাজ শেষ করলেও সংযোগ সড়কের কাজ না করে তাঁরাও চলে যায়।

সরেজমিনে উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৭/৮ কিলোমিটার দূরে প্রকল্প এলাকায় ঘুরে দেখা যায়,বুলির খালের উপর সেতুর মুল অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না থাকায় স্থানীয় মানুষজন এক পাশে বাঁশের দীর্ঘ সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠছেন ও অন্য প্রান্তে বাঁশের তৈরি মই দিয়ে নামছেন।

এ সময় দেখা যায়,সেতুতে উঠার জন্য এক মা তার ছোট শিশু কন্যা নিয়ে বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পার হওয়ার সময় ছোট্ট শিশুর পা ফাঁকে আটকে যায়,তখন ভয়ে ও ব্যাথায় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে থমকে দাঁড়ান মা,শিশুটি পা বের করার আকুল চেষ্টা করতে থাকেন পরে অন্য এক পথচারীর সহায়তায় শিশুটিকে বিপদ মুক্ত করা সম্ভব হয়।

সেতুতে উঠে সেই মা জানান তার নাম আছমা আক্তার,বাবার আড়ালিয়া থেকে স্বামীর বাড়ি আব্দুল্লাহপুর যেতে প্রতিনিয়ত এই ভাবে কষ্ট করছেন জানিয়ে আক্ষেপ নিয়ে বলেন,আমরা ছোট বেলা থেকে এই খাল পারাপার হয়েছি খেয়া দিয়ে তারপর দীর্ঘ ৭/৮ বছর দূর্ভোগে থেকে সেতু পেলাম তবু আমাদের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে না,মানুষ এখনো কষ্ট করে বিশাল বড় বাঁশের সাঁকো পার হয়ে সেতু উঠছেন যা আমাদের জন্য কষ্ট কর।

মমিম আলী নামে এক সত্তোর্ধ ব্যক্তি বলেন,আগে তো খেয়া ছিল তখন সামান্য অপেক্ষা করে হলেও খাল পারাপার হওয়া যেত কিন্তু ব্রীজ হওয়ার পর সেটা বন্ধ হয়ে যায়,স্থানীয়’রা পরে বিপদে,ব্রীজে উঠার কিছুই ছিল না পরে স্থানীয় সমাজ সেবক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহণকারী একাধিক ব্যক্তির সহায়তায় এই এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও এত বড় সাঁকো আর মইয়ে উঠাই যায় না।

আব্দুল্লাহপুর গ্রামের কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী নাদিয়া আক্তার বলেন,আমি পাশ্ববর্তী সোনারগাঁও উপজেলাধীন মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী,প্রতিদিন বাড়ি থেকে বের হয়ে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে ব্রীজের এই অংশ টুকু পার হওয়ার সময় অনেক কষ্ট করতে হয় দ্রুত সংযোগ সড়ক তৈরি করে পাকা সেতুটি চালু করা না হলে, এই পথে যাতায়াত বন্ধ করে পাশ্ববর্তী মেঘনা উপজেলা দিয়ে কলেজে যাতায়াত করতে হবে যা দীর্ঘ পথ ও দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।

স্থানীয় আড়ালিয়া স:প্রা:বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক মাষ্টার বলেন,শুনেছি ঠিকাদার চলে গেছে,সংযোগ সড়কটি কবে নাগাদ শেষ হবে তা অনিশ্চিত অথচ এই দুই গ্রামের উপর দিয়ে পাশ্ববর্তী মেঘনা উপজেলার লুটেরচর,কান্দারগাও, মাহামুদপুর,হরিপুর গ্রামের একাংশের মানুষ যাতায়াত করে,ঐ গ্রামে স:প্রা:বিদ্যালয়,মাদ্রাসা রয়েছে তাদের বাজারঘাট সব আড়ালিয়ায়, যাতায়াতের একমাত্র পথ এই সড়ক,মানুষ সেতু নির্মাণের পর যে আশা করেছিল তা এখনো পূরণ হচ্ছে না।স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত এই সেতুটি চলাচলের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বিষয়টা নিয়ে ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ বলেন,আমরা অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ব্রীজ এর মুল অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ শেষ করি,এই কাজ শেষ করতে গিয়ে একাধিক বার প্রকল্প এলাকায় চুরি,ডাকাতিসহ আমাদের শ্রমিক’রা মারধরের শিকার হয়,সে জন্য ঐ এলাকায় এখন কোন শ্রমিক যেতে চাচ্ছে না তাই সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরফিন বলেন,আমরা অনেক কষ্ট করে দুইবার টেন্ডার এর মাধ্যমে সেতুর মুল অবকাঠামোর কাজ শেষ করেছি,ঠিকাদারকে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করার জন্য গত মাসে চিঠি দিয়েছি,তারা অপরাগতা প্রকাশ করলে পরবর্তীতে আবারও সংযোগ সড়কের জন্য আলাদা টেন্ডার আহবান করতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,সেতুর মূল কাজ শেষ হওয়ার পরও সংযোগ সড়ক না থাকায় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি,এলজিইডি প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সুইহারী আশ্রম এর দূর্গাপূজা পুর্নমিলনীতে এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম

গজারিয়ায় দীর্ঘ সাঁকো বেয়ে উঠতে হয় কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে

প্রকাশিত : ০৩:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বুলির খালের উপর দুই দফায় ৭ বছরে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন সেতু নির্মাণ করলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এক পাশে দীর্ঘ সাঁকো ও অপর পাশে মই আকারের সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠছে স্থানীয় জনসাধারণ।স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতু পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের।

জানা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রত্যন্ত আব্দুল্লাহপুর-আড়ালিয়া গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাদের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার জন্য ২০১৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) ৬০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করে।সেই সময় ৩কোটি ৪৮ লাখ টাকায় কাজটা পান আহমেদ ষ্টীল ইন্ড্রাষ্টি নামে একটা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কিন্তু তাঁরা ব্রীজের পাইলিং এর কাজ করে নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় ও তাদের কাজের সমপরিমান বিল উত্তোলন করে কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে যায়,পরে দুই বছর পর বাকি কাজের জন্য এলজিইডি”জিডিপি ৩”প্রকল্পের আওতায় আবারও তৎকালীন বাজার দরে টেন্ডার আহ্বান করলে ৩ কোটি ২০ বিশ লক্ষ টাকায় কাজ পান ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান, তারাও গত ৭/৮ পূর্বে ব্রীজ নির্মাণ কাজ শেষ করলেও সংযোগ সড়কের কাজ না করে তাঁরাও চলে যায়।

সরেজমিনে উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক থেকে ৭/৮ কিলোমিটার দূরে প্রকল্প এলাকায় ঘুরে দেখা যায়,বুলির খালের উপর সেতুর মুল অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না থাকায় স্থানীয় মানুষজন এক পাশে বাঁশের দীর্ঘ সাঁকো বেয়ে সেতুতে উঠছেন ও অন্য প্রান্তে বাঁশের তৈরি মই দিয়ে নামছেন।

এ সময় দেখা যায়,সেতুতে উঠার জন্য এক মা তার ছোট শিশু কন্যা নিয়ে বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পার হওয়ার সময় ছোট্ট শিশুর পা ফাঁকে আটকে যায়,তখন ভয়ে ও ব্যাথায় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে থমকে দাঁড়ান মা,শিশুটি পা বের করার আকুল চেষ্টা করতে থাকেন পরে অন্য এক পথচারীর সহায়তায় শিশুটিকে বিপদ মুক্ত করা সম্ভব হয়।

সেতুতে উঠে সেই মা জানান তার নাম আছমা আক্তার,বাবার আড়ালিয়া থেকে স্বামীর বাড়ি আব্দুল্লাহপুর যেতে প্রতিনিয়ত এই ভাবে কষ্ট করছেন জানিয়ে আক্ষেপ নিয়ে বলেন,আমরা ছোট বেলা থেকে এই খাল পারাপার হয়েছি খেয়া দিয়ে তারপর দীর্ঘ ৭/৮ বছর দূর্ভোগে থেকে সেতু পেলাম তবু আমাদের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে না,মানুষ এখনো কষ্ট করে বিশাল বড় বাঁশের সাঁকো পার হয়ে সেতু উঠছেন যা আমাদের জন্য কষ্ট কর।

মমিম আলী নামে এক সত্তোর্ধ ব্যক্তি বলেন,আগে তো খেয়া ছিল তখন সামান্য অপেক্ষা করে হলেও খাল পারাপার হওয়া যেত কিন্তু ব্রীজ হওয়ার পর সেটা বন্ধ হয়ে যায়,স্থানীয়’রা পরে বিপদে,ব্রীজে উঠার কিছুই ছিল না পরে স্থানীয় সমাজ সেবক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ গ্রহণকারী একাধিক ব্যক্তির সহায়তায় এই এই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও এত বড় সাঁকো আর মইয়ে উঠাই যায় না।

আব্দুল্লাহপুর গ্রামের কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী নাদিয়া আক্তার বলেন,আমি পাশ্ববর্তী সোনারগাঁও উপজেলাধীন মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী,প্রতিদিন বাড়ি থেকে বের হয়ে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে ব্রীজের এই অংশ টুকু পার হওয়ার সময় অনেক কষ্ট করতে হয় দ্রুত সংযোগ সড়ক তৈরি করে পাকা সেতুটি চালু করা না হলে, এই পথে যাতায়াত বন্ধ করে পাশ্ববর্তী মেঘনা উপজেলা দিয়ে কলেজে যাতায়াত করতে হবে যা দীর্ঘ পথ ও দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।

স্থানীয় আড়ালিয়া স:প্রা:বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক মাষ্টার বলেন,শুনেছি ঠিকাদার চলে গেছে,সংযোগ সড়কটি কবে নাগাদ শেষ হবে তা অনিশ্চিত অথচ এই দুই গ্রামের উপর দিয়ে পাশ্ববর্তী মেঘনা উপজেলার লুটেরচর,কান্দারগাও, মাহামুদপুর,হরিপুর গ্রামের একাংশের মানুষ যাতায়াত করে,ঐ গ্রামে স:প্রা:বিদ্যালয়,মাদ্রাসা রয়েছে তাদের বাজারঘাট সব আড়ালিয়ায়, যাতায়াতের একমাত্র পথ এই সড়ক,মানুষ সেতু নির্মাণের পর যে আশা করেছিল তা এখনো পূরণ হচ্ছে না।স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত এই সেতুটি চলাচলের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

বিষয়টা নিয়ে ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ বলেন,আমরা অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ব্রীজ এর মুল অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ শেষ করি,এই কাজ শেষ করতে গিয়ে একাধিক বার প্রকল্প এলাকায় চুরি,ডাকাতিসহ আমাদের শ্রমিক’রা মারধরের শিকার হয়,সে জন্য ঐ এলাকায় এখন কোন শ্রমিক যেতে চাচ্ছে না তাই সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরফিন বলেন,আমরা অনেক কষ্ট করে দুইবার টেন্ডার এর মাধ্যমে সেতুর মুল অবকাঠামোর কাজ শেষ করেছি,ঠিকাদারকে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করার জন্য গত মাসে চিঠি দিয়েছি,তারা অপরাগতা প্রকাশ করলে পরবর্তীতে আবারও সংযোগ সড়কের জন্য আলাদা টেন্ডার আহবান করতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,সেতুর মূল কাজ শেষ হওয়ার পরও সংযোগ সড়ক না থাকায় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি,এলজিইডি প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএস./