০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্রামীণফোন ছাড়ছে গ্রাহকরা

অপারেটর বদল করে রবিতে যাওয়ার আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখিয়েছে গ্রাহকরা। আর সবচেয়ে বেশি গ্রাহক ছেড়েছে গ্রামীণফোন।

মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদলের সেবা বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালু হওয়ার পর ১৮ দিনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

এই ১৮ দিনে ৪৭ হাজার ৯০ জন গ্রাহক অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে রবিতে গেছে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক।

চলতি মাসের প্রথমদিনেই পরীক্ষামূলক এই সেবা চালু হয়। রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বিটিআরসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮ দিনে ২৬ হাজার ৮১৭ জন গ্রাহক অপারেটর বদলাতে সফল হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৯১৬ জন গেছেন রবিতে। বাংলালিংকে গেছেন ৫ হাজার ৫২৬ জন। গ্রামীণফোনে গেছেন ৪ হাজার ৪১ জন। আর টেলিটকে গেছেন ৩৩৪ জন।

আবেদনে যারা সফল হয়েছেন, তাদের মধ্যে গ্রামীণফোন ছেড়েছেন ১১ হাজার ৬৭৬ জন। বাংলালিংক ছেড়েছেন ৮ হাজার ৯১৬ জন। রবি ছেড়েছেন ৫ হাজার ৯৭৩ জন। টেলিটক ছেড়েছেন ২৫২ জন।

২০ হাজার ২৫৫ জন গ্রাহক আবেদন করেও অপারেটর বদলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর মধ্যে রবিতে যেতে চেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৪০৬ জন। এ ছাড়া ৪ হাজার ৮৭ জন বাংলালিংকে, ২ হাজার ৬৩১ জন গ্রামীণফোনে ও ১৩১ জন টেলিটকে যেতে চেয়েছিলেন। ব্যর্থ হওয়াদের মধ্যে ৮ হাজার ৬৪২ জন গ্রামীণফোন, ৬ হাজার ৮৬১ জন বাংলালিংক, ২ হাজার ৬৯৩ জন রবি ও ২ হাজার ৫৯ জন টেলিটক ছাড়তে চেয়েছিলেন।

বকেয়া টাকা থাকা, মোবাইল ওয়ালেটে ব্যালেন্স বা স্থিতি থাকাসহ নানা কারণে অপারেটর বদলের আবেদন সফল হয় না।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোন জানায়, দেশের শীর্ষ এ অপারেটরটির গ্রাহক যেহেতু সবচেয়ে বেশি, তাই আবেদনের সংখ্যাটাও অন্যদের চেয়ে বেশি হওয়া স্বাভাবিক। তবে এটা আগামী ৬ মাসে ঠিক হয়ে যাবে। কারণ গ্রামীণফোন গ্রাহককে সর্বোচ্চ শক্তিশালী নেটওয়ার্ক দিতে প্রস্তুত। এখন বিষয়টি গ্রাহকের প্রাথমিক পর্যালোচনায় আছে।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

গ্রামীণফোন ছাড়ছে গ্রাহকরা

প্রকাশিত : ১২:২৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

অপারেটর বদল করে রবিতে যাওয়ার আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখিয়েছে গ্রাহকরা। আর সবচেয়ে বেশি গ্রাহক ছেড়েছে গ্রামীণফোন।

মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদলের সেবা বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালু হওয়ার পর ১৮ দিনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

এই ১৮ দিনে ৪৭ হাজার ৯০ জন গ্রাহক অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে রবিতে গেছে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক।

চলতি মাসের প্রথমদিনেই পরীক্ষামূলক এই সেবা চালু হয়। রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বিটিআরসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮ দিনে ২৬ হাজার ৮১৭ জন গ্রাহক অপারেটর বদলাতে সফল হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৯১৬ জন গেছেন রবিতে। বাংলালিংকে গেছেন ৫ হাজার ৫২৬ জন। গ্রামীণফোনে গেছেন ৪ হাজার ৪১ জন। আর টেলিটকে গেছেন ৩৩৪ জন।

আবেদনে যারা সফল হয়েছেন, তাদের মধ্যে গ্রামীণফোন ছেড়েছেন ১১ হাজার ৬৭৬ জন। বাংলালিংক ছেড়েছেন ৮ হাজার ৯১৬ জন। রবি ছেড়েছেন ৫ হাজার ৯৭৩ জন। টেলিটক ছেড়েছেন ২৫২ জন।

২০ হাজার ২৫৫ জন গ্রাহক আবেদন করেও অপারেটর বদলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর মধ্যে রবিতে যেতে চেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৪০৬ জন। এ ছাড়া ৪ হাজার ৮৭ জন বাংলালিংকে, ২ হাজার ৬৩১ জন গ্রামীণফোনে ও ১৩১ জন টেলিটকে যেতে চেয়েছিলেন। ব্যর্থ হওয়াদের মধ্যে ৮ হাজার ৬৪২ জন গ্রামীণফোন, ৬ হাজার ৮৬১ জন বাংলালিংক, ২ হাজার ৬৯৩ জন রবি ও ২ হাজার ৫৯ জন টেলিটক ছাড়তে চেয়েছিলেন।

বকেয়া টাকা থাকা, মোবাইল ওয়ালেটে ব্যালেন্স বা স্থিতি থাকাসহ নানা কারণে অপারেটর বদলের আবেদন সফল হয় না।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোন জানায়, দেশের শীর্ষ এ অপারেটরটির গ্রাহক যেহেতু সবচেয়ে বেশি, তাই আবেদনের সংখ্যাটাও অন্যদের চেয়ে বেশি হওয়া স্বাভাবিক। তবে এটা আগামী ৬ মাসে ঠিক হয়ে যাবে। কারণ গ্রামীণফোন গ্রাহককে সর্বোচ্চ শক্তিশালী নেটওয়ার্ক দিতে প্রস্তুত। এখন বিষয়টি গ্রাহকের প্রাথমিক পর্যালোচনায় আছে।

বিবি/জেজে