০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উত্তরায় পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলি: ৫ পুলিশ আহত, আটক ৬

রাজধানীর উত্তরায় ডাকাতের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাতে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের রানা ভোলা এভিনিউয়ের ২২৩ নম্বর প্লটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ৫ সদস্য আহত হন।

ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতসহ ছয় জনকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন- শামীম হোসেন (৩০), আল আমিন (৩০), মো. সেন্টু (৩০), সুধির দাস (৩৯), আবু রায়হান (২৬) ও মো. লিটন (৩৪)।

এব্যপারে উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, রাতে ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রেফতারের অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে।

এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয়ের গোলাগুলিতে ডাকাত শামীম আহত হন। ৫ সহযোগীসহ তাকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড গুলি, ওয়ারলেস সেট (ওয়াকি টকি), হাতুরি, লিভার, স্কচটেপ ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি নোয়া মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় দুইটি মামলা হয়েছে। আজ সোমবার তাদের আদালতে তোলা হবে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শামীমেরর নেতৃত্বে উদ্ধারকৃত নোয়া মাইক্রোবাস ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রী উঠিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। তারপর তাদের কাছে থাকা অস্ত্র-শস্ত্র, হাতুরি, লিবার, ওয়ারলেস হ্যান্ডসেট, ভুয়া ডিবি জ্যাকেট, দেখিয়ে ডাকাতি ছিনতাই করত।

প্রথমে তারা কোনো ব্যবসায়ী অথবা সম্ভ্রান্ত যাত্রীকে টার্গেট করে। তাকে যাত্রী হিসেবে নোয়া গাড়িতে তোলে। তারা এ কাজগুলো গুলিস্তান থেকে মাওয়া ঘাট অথবা আব্দুল্লাহপুর বা গাবতলী থেকে আমিনবাজার, সাভার রাস্তায় করে থাকে।

যাত্রীকে গাড়িতে তুলে তার চোখ/মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকে চোখে কালো চশমা পরিয়ে দেয়। তারপর তাদের অস্ত্রের ভয় দেখায় এবং শারীরিক আঘাত করে সঙ্গে থাকা টাকা মোবাইল ও এটিএম কার্ডে থাকা টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

উত্তরায় পুলিশ-ডাকাত গোলাগুলি: ৫ পুলিশ আহত, আটক ৬

প্রকাশিত : ১২:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

রাজধানীর উত্তরায় ডাকাতের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাতে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের রানা ভোলা এভিনিউয়ের ২২৩ নম্বর প্লটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ৫ সদস্য আহত হন।

ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতসহ ছয় জনকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন- শামীম হোসেন (৩০), আল আমিন (৩০), মো. সেন্টু (৩০), সুধির দাস (৩৯), আবু রায়হান (২৬) ও মো. লিটন (৩৪)।

এব্যপারে উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, রাতে ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রেফতারের অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে।

এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয়ের গোলাগুলিতে ডাকাত শামীম আহত হন। ৫ সহযোগীসহ তাকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড গুলি, ওয়ারলেস সেট (ওয়াকি টকি), হাতুরি, লিভার, স্কচটেপ ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি নোয়া মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় দুইটি মামলা হয়েছে। আজ সোমবার তাদের আদালতে তোলা হবে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শামীমেরর নেতৃত্বে উদ্ধারকৃত নোয়া মাইক্রোবাস ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রী উঠিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। তারপর তাদের কাছে থাকা অস্ত্র-শস্ত্র, হাতুরি, লিবার, ওয়ারলেস হ্যান্ডসেট, ভুয়া ডিবি জ্যাকেট, দেখিয়ে ডাকাতি ছিনতাই করত।

প্রথমে তারা কোনো ব্যবসায়ী অথবা সম্ভ্রান্ত যাত্রীকে টার্গেট করে। তাকে যাত্রী হিসেবে নোয়া গাড়িতে তোলে। তারা এ কাজগুলো গুলিস্তান থেকে মাওয়া ঘাট অথবা আব্দুল্লাহপুর বা গাবতলী থেকে আমিনবাজার, সাভার রাস্তায় করে থাকে।

যাত্রীকে গাড়িতে তুলে তার চোখ/মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকে চোখে কালো চশমা পরিয়ে দেয়। তারপর তাদের অস্ত্রের ভয় দেখায় এবং শারীরিক আঘাত করে সঙ্গে থাকা টাকা মোবাইল ও এটিএম কার্ডে থাকা টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়।

বিবি/জেজে