১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরিবহন ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’-এর কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে রবিবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে পরিবহন শ্রমিকদের ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট চলছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী শুরু হওয়া এই ধর্মঘট। এতে রাস্তাঘাটে গণপরিবহন না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মস্থগামী মানুষ।

সড়ক দুর্ঘটনার সব অপরাধ জামিনযোগ্য করা ও সড়কে পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে শ্রমিকরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই ধর্মঘট পালন করছেন।

রাজধানী ঢাকার গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, শাহবাগ, গুলিস্তানসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। গণপরিবহন না থাকায় হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন অনেকে।

রাজধানীর রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি ও সরকারি পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির অল্প কিছু বাস ছাড়া কোনো যানবাহন চলতে দেখা যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

শ্রমিকরা ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের’ ব্যানারে রোববার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

গতকাল শনিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ‘আমাদের দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। যদি দাবি পূরণ করা হয়, তাহলে আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করব।’

তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সড়ক দুর্ঘটনার সব অপরাধ জামিনযোগ্য করা, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাতিল করা, সড়ক দুর্ঘটনায় গঠিত যেকোনো তদন্ত কমিটিতে ফেডারেশনের প্রতিনিধি রাখা, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি নির্ধারণ এবং সড়কে পুলিশের হয়রানি বন্ধ করা।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর শ্রমিক ফেডারেশন সিদ্ধান্ত নেয়, সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারসহ আট দফা দাবি ২৭ অক্টোবরের মধ্যে পূরণ না হলে ২৮ অক্টোবর থেকে দুদিনের কর্মবিরতিতে যাবেন শ্রমিকরা।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পরিবহন ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

প্রকাশিত : ১০:৩৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’-এর কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে রবিবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে পরিবহন শ্রমিকদের ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট চলছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী শুরু হওয়া এই ধর্মঘট। এতে রাস্তাঘাটে গণপরিবহন না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মস্থগামী মানুষ।

সড়ক দুর্ঘটনার সব অপরাধ জামিনযোগ্য করা ও সড়কে পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে শ্রমিকরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই ধর্মঘট পালন করছেন।

রাজধানী ঢাকার গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, শাহবাগ, গুলিস্তানসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। গণপরিবহন না থাকায় হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিয়েছেন অনেকে।

রাজধানীর রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি ও সরকারি পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির অল্প কিছু বাস ছাড়া কোনো যানবাহন চলতে দেখা যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

শ্রমিকরা ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের’ ব্যানারে রোববার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

গতকাল শনিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ‘আমাদের দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। যদি দাবি পূরণ করা হয়, তাহলে আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করব।’

তাঁদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সড়ক দুর্ঘটনার সব অপরাধ জামিনযোগ্য করা, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাতিল করা, সড়ক দুর্ঘটনায় গঠিত যেকোনো তদন্ত কমিটিতে ফেডারেশনের প্রতিনিধি রাখা, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি নির্ধারণ এবং সড়কে পুলিশের হয়রানি বন্ধ করা।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর শ্রমিক ফেডারেশন সিদ্ধান্ত নেয়, সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারসহ আট দফা দাবি ২৭ অক্টোবরের মধ্যে পূরণ না হলে ২৮ অক্টোবর থেকে দুদিনের কর্মবিরতিতে যাবেন শ্রমিকরা।

বিবি/জেজে