ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী উলা টরনেস রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রেক্ষাপটে দেশটির রাখাইন রাজ্যে সাহায্যকর্মীদের কাজ করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য দিচ্ছে ডেনমার্ক। রাখাইন রাজ্যের জীবনমানের উন্নয়নে সেখানেও ডেনমার্ক কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু তার জন্য মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রয়োজন।
তিনি বুধবার ঢাকায় হোটেল ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিয়েসলেও বক্তব্য রাখেন।
ডেনিশ মন্ত্রী ও ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক কক্সবাজারের কুতুপালং এবং বালুখালীতে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৬ লাখ ডলার অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করেছেন।
ডেনিশ মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখনও ব্যাপক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করি। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আজ কিংবা আগামীকালই হচ্ছে না। ফলে তাদের সহায়তার দিকটি গুরুত্বপূর্ণ।
২০১৭ সালের আগস্টে সংকট শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেনমার্ক ডব্লিউএফপিকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।
তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
তিনি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা, সংলাপ ও টেকসই প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
গত বছর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা উল্লেখ করে উলা টরনেস জানান, এবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তবে আজও অনেক কিছু করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যারা রোহিঙ্গাদের নৃশংসতা চালিয়েছে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার পাশাপাশি কফি আনান কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান উলা টরনেস।
বিবি/রেআ






















