ঢাকা সন্ধ্যা ৬:৫৭, বৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রতিটি সন্ত্রাসী ক্যাম্প ধ্বংস করবো: এরদোগান

ইরাক এবং সিরিয়ায় থাকা প্রতিটি সন্ত্রাসী ক্যাম্প তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনী ধ্বংস করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
শুক্রবার তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, তুরস্ক তার সীমান্ত এলাকা থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের সহায়তায় ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র আইএস বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ এর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেন, ‘ইরাক এবং সিরিয়ায় আমরা যে সমস্ত সন্ত্রাসী ক্যাম্প সনাক্ত করেছি তার প্রতিটি ক্যাম্প আমরা ধ্বংস করবো।’
চলতি বছর ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে সিরিয়ার জুরাবুলাস ও আল-বাব ত্যাগ করে আইএস। এছাড়াও, সিরিয়ার শহর ইদলিবেও তুর্কি সেনারা তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ ও জাতিকে বাঁচিয়ে রাখার চেয়ে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নয়।’
তিনি বলেন, ইরাক এবং সিরিয়ার অনেক স্থানকে সন্ত্রাসীদের গুহা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তুরস্ক অবশ্যই এসব সন্ত্রাসী গুহা ধ্বংস করবে।
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা যেখানেই থাকুক না কেন তাদের ধ্বংস করা আমাদের মৌলিক অধিকার। এজন্য তুরস্কের কারো কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
এরদোগান আরো বলেন, এই অঞ্চলের পরিবর্তনের জন্য সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও লিবিয়ার লাখ লাখ মানুষকে মূল্য দিতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে সভ্য রাষ্ট্র বলা যায় না: এরদোগান
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সভ্য রাষ্ট্র বলা যায় না। দেশটিতে এমন কিছু সমস্যা আছে যা অন্যান্য দেশের জন্য সুখকর নয়।
শনিবার ইস্তাম্বুলের হালদুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিভিলাইজেশন ফোরাম’- এ বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে দেশটিতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার ওপর হামলা হয়। আমার নিরাপত্তারক্ষীরা সেই হামলা প্রতিরোধ করে। এ ঘটনায় তারা কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমার নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
এরদোগান অভিযোগ করেন, এতে বোঝা যায় দেশটিতে কোনো সমস্যা আছে। এজন্য আমি খুবই দুঃখিত। আর যাই হোক যুক্তরাষ্ট্রকে সভ্য রাষ্ট্র বলা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমরা বিতাড়িত হচ্ছে। দেশটি এমন এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা বিশ্ব নীতিকেই প্রভাবিত করছে।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে এরদোগানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় সেখানে তুরস্কের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন-এর ৪০ থেকে ৫০ সদস্য একত্রিত হয়ে হামলার চেষ্টা করে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ