০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এসডিজি অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)অর্জন এবং বাস্তবায়নে কৃষিমন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রাণীসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়কে এসডিজি অর্জনে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক আজ রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) অডিটরিয়ামে কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এসডিজি রোডম্যাপ প্রণয়ন উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় একথা বলেন।

কৃষির অপার সম্ভাবনা সম্প্রসারিত করতে সমন্বিত কর্মসূচি নেওয়ার বিকল্প নেই এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিকে জনবান্ধব এবং বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দরিদ্রতা হ্রাস এবং নির্ধারণ দুটোই দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সে কারণে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকারে পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি।

তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৮৬ শতাংশে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টায় দেশের শতকরা হার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে ও তীব্রতা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মাথাপিছু জাতীয় আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১,৭৫২ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিউন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প ২০২১, রূপকল্প ২০৪১ ও ডেলটাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন সম্ভব হবে।

বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. কবির ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসিরুজ্জামান এবং এমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. কাজী এম. বদরুদ্দোজা।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম।

এ সময় ড. কাজী এম. বদরুদ্দোজা বলেন, কৃষি গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গবেষকদের বয়সের সীমারেখা শিথিল করে তাদের গবেষণার কাজে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলেই বৈশ্বিক পরিস্থিতির ধরণ এবং তা মোকাবেলা করে দেশের কৃষির উন্নয়নে তারা কাজ করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

এসডিজি অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)অর্জন এবং বাস্তবায়নে কৃষিমন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রাণীসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়কে এসডিজি অর্জনে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক আজ রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) অডিটরিয়ামে কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এসডিজি রোডম্যাপ প্রণয়ন উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় একথা বলেন।

কৃষির অপার সম্ভাবনা সম্প্রসারিত করতে সমন্বিত কর্মসূচি নেওয়ার বিকল্প নেই এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিকে জনবান্ধব এবং বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দরিদ্রতা হ্রাস এবং নির্ধারণ দুটোই দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সে কারণে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকারে পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি।

তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৮৬ শতাংশে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টায় দেশের শতকরা হার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে ও তীব্রতা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মাথাপিছু জাতীয় আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১,৭৫২ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিউন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প ২০২১, রূপকল্প ২০৪১ ও ডেলটাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন সম্ভব হবে।

বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. কবির ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসিরুজ্জামান এবং এমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. কাজী এম. বদরুদ্দোজা।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম।

এ সময় ড. কাজী এম. বদরুদ্দোজা বলেন, কৃষি গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গবেষকদের বয়সের সীমারেখা শিথিল করে তাদের গবেষণার কাজে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলেই বৈশ্বিক পরিস্থিতির ধরণ এবং তা মোকাবেলা করে দেশের কৃষির উন্নয়নে তারা কাজ করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

বিবি/এসআর