০৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

কর্ণফুলীতে ডুবলো এমভি সি ক্রাউন

আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ব্রিজঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ডুবে গেছে এক হাজার টন পাথর বোঝাই ‘এমভি সি ক্রাউন’ নামের একটি লাইটার (ছোট আকারের জাহাজ)। তবে জাহাজে থাকা ১৩ নাবিক নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

লাইটার চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের যুগ্ম সচিব আতাউল করিম রঞ্জু বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ মাদার ভেসেল (সমুদ্রগামী বড় আকারের জাহাজ) থেকে ১ হাজার টন পাথর নিয়ে এমভি সি ক্রাউন রাতে কর্ণফুলীর ব্রিজঘাটে আসে। এটি শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে অপেক্ষা করছিল। ভোরে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় তলা ফেটে জাহাজটিতে পানি প্রবেশ করে। পরে এটি আস্তে আস্তে ডুবে যায়।’

ডুবে যাওয়া জাহাজটি মমতা শিপিং নামক একটি প্রতিষ্ঠানের। ওই প্রতিষ্ঠানের জাহাজ তদারককারী কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত মোবারক জানান, বাতাসের তোড়ে জাহাজটি কূলে চলে গেলে এর পেছনের অংশ আটকে যায় এবং তলা ফেটে পানি প্রবেশ করে। জাহাজটিতে ১৩ জন নাবিক ছিলেন। তারা সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠে এসেছেন। তিনি জানান, ডক থেকে মেরামতের পর প্রায় নতুন করে জাহাজটি নামানো হয়েছিল।

এরপর দ্বিতীয় ট্রিপেই এটি দুর্ঘটনার শিকার হল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, বন্দর চ্যানেলের বাইরে কর্ণফুলীর কূলের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই এতে চ্যানেলের কোনো সমস্যা হয়নি। চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, মালিকপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেবে। তবে লাল পতাকা ও বয়া দিয়ে ওই এলাকা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে যাতে অন্য লাইটার আপাতত সেখান দিয়ে চলাচল না করে।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কর্ণফুলীতে ডুবলো এমভি সি ক্রাউন

প্রকাশিত : ০২:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯

আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ব্রিজঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ডুবে গেছে এক হাজার টন পাথর বোঝাই ‘এমভি সি ক্রাউন’ নামের একটি লাইটার (ছোট আকারের জাহাজ)। তবে জাহাজে থাকা ১৩ নাবিক নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

লাইটার চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের যুগ্ম সচিব আতাউল করিম রঞ্জু বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ মাদার ভেসেল (সমুদ্রগামী বড় আকারের জাহাজ) থেকে ১ হাজার টন পাথর নিয়ে এমভি সি ক্রাউন রাতে কর্ণফুলীর ব্রিজঘাটে আসে। এটি শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে অপেক্ষা করছিল। ভোরে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় তলা ফেটে জাহাজটিতে পানি প্রবেশ করে। পরে এটি আস্তে আস্তে ডুবে যায়।’

ডুবে যাওয়া জাহাজটি মমতা শিপিং নামক একটি প্রতিষ্ঠানের। ওই প্রতিষ্ঠানের জাহাজ তদারককারী কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত মোবারক জানান, বাতাসের তোড়ে জাহাজটি কূলে চলে গেলে এর পেছনের অংশ আটকে যায় এবং তলা ফেটে পানি প্রবেশ করে। জাহাজটিতে ১৩ জন নাবিক ছিলেন। তারা সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠে এসেছেন। তিনি জানান, ডক থেকে মেরামতের পর প্রায় নতুন করে জাহাজটি নামানো হয়েছিল।

এরপর দ্বিতীয় ট্রিপেই এটি দুর্ঘটনার শিকার হল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, বন্দর চ্যানেলের বাইরে কর্ণফুলীর কূলের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই এতে চ্যানেলের কোনো সমস্যা হয়নি। চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, মালিকপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেবে। তবে লাল পতাকা ও বয়া দিয়ে ওই এলাকা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে যাতে অন্য লাইটার আপাতত সেখান দিয়ে চলাচল না করে।

 

বিবি/এমএ