১১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ছয় মাসের জেল কোয়েনা মিত্রের

চেক বাউন্সের অভিযোগে ছয় মাসের জেল হল বলিউডের অভিনেত্রী কোয়েনা মিত্রর। শুধু তাই নয়,সুদ-সহ মোট ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকাও মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

প্রায় ছয় বছর আগে কোয়েনার বিরুদ্ধে মডেল পুনম শেঠি মুম্বইয়ের আন্ধেরির মেট্রোপলিটান আদালতে মামলা দায়ের করেন। পুনমের অভিযোগ ছিল, ব্যক্তিগত কারণে তাঁর থেকে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা ধার নেন কোয়েনা। টাকা ফেরত দেওয়ার সময় পুনমকে একটি তিন লক্ষ টাকার চেক দেন তিনি। পুনমের অভিযোগ, সেই চেকটি বাউন্স করে।

এরপর ২০১৩-এর ১৯ জুলাই কোয়েনাকে আইনি নোটিস পাঠান পুনম। কিন্তু তখনও নীরব ছিলেন ‘মুসাফির’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। পুনমের দাবি, বাধ্য হয়েই ২০১৩-র ১০ অক্টোবর আন্ধেরির আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।

ধার নেওয়ার কথা তো দূর, বরং প্রতিটি শুনানিতে কোয়েনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এত টাকা ধার দেওয়ার ক্ষমতাই পুনমের নেই। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেন কোয়েনা। পুনম তাঁর চেকটি চুরি করেছেন, এমন অভিযোগও এনেছিলেন কোয়েনা। যদিও কোয়েনার এই সমস্ত বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি বিচারক।

তবে আদালতের রায় নিয়ে কোয়েনা যে একেবারেই খুশি নন তা তাঁর বক্তব্যতেই স্পষ্ট। কোয়েনা বলেন, “চূড়ান্ত রায়দানের দিন আমার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন জানাব।”

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ছয় মাসের জেল কোয়েনা মিত্রের

প্রকাশিত : ০৪:২০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯

চেক বাউন্সের অভিযোগে ছয় মাসের জেল হল বলিউডের অভিনেত্রী কোয়েনা মিত্রর। শুধু তাই নয়,সুদ-সহ মোট ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকাও মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

প্রায় ছয় বছর আগে কোয়েনার বিরুদ্ধে মডেল পুনম শেঠি মুম্বইয়ের আন্ধেরির মেট্রোপলিটান আদালতে মামলা দায়ের করেন। পুনমের অভিযোগ ছিল, ব্যক্তিগত কারণে তাঁর থেকে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা ধার নেন কোয়েনা। টাকা ফেরত দেওয়ার সময় পুনমকে একটি তিন লক্ষ টাকার চেক দেন তিনি। পুনমের অভিযোগ, সেই চেকটি বাউন্স করে।

এরপর ২০১৩-এর ১৯ জুলাই কোয়েনাকে আইনি নোটিস পাঠান পুনম। কিন্তু তখনও নীরব ছিলেন ‘মুসাফির’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। পুনমের দাবি, বাধ্য হয়েই ২০১৩-র ১০ অক্টোবর আন্ধেরির আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।

ধার নেওয়ার কথা তো দূর, বরং প্রতিটি শুনানিতে কোয়েনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এত টাকা ধার দেওয়ার ক্ষমতাই পুনমের নেই। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেন কোয়েনা। পুনম তাঁর চেকটি চুরি করেছেন, এমন অভিযোগও এনেছিলেন কোয়েনা। যদিও কোয়েনার এই সমস্ত বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি বিচারক।

তবে আদালতের রায় নিয়ে কোয়েনা যে একেবারেই খুশি নন তা তাঁর বক্তব্যতেই স্পষ্ট। কোয়েনা বলেন, “চূড়ান্ত রায়দানের দিন আমার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন জানাব।”

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ