১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বন্ধ হচ্ছে ‘খাস কামরা’

সরকারের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছোট রুমগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আলোচিত ঘটনাটির পর সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে বেশ টনক নড়েছে

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মূল অফিস রুমের সঙ্গে লাগোয়া ছোটরুমে অনেক সময়ে খাট রাখা হয়। আবার অনেক সময় সেখানে টেবিল চেয়ারও থাকে যাতে সেখানে উর্ধ্বতন আমলারা বিশ্রাম নিতে পারে বা দুপুরের আহার করতে পারে।

কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সরকারি অফিস কাজের জায়গা, সেটি বিশ্রাম করার জায়গা নয়। বিশ্রাম করার জন্য কর্মকর্তাদের বাসস্থান রয়েছে। এই সরকারি অফিসগুলোতে কোনোরকম বিশ্রাম কক্ষ বা ছোট কক্ষ থাকার প্রয়োজন নেই।
এই ছোটকক্ষের এরকম অনেক অপব্যবহারের কথা এর আগেও জনপ্রশাসন এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে এসেছিল। এজন্যই সরকার এখন চূড়ান্তভাবে অনতিবিলম্বে সার্কুলার জারি করছে যেখানে এইসব বিশ্রাম কক্ষগুলো বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ছাড়াও সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে এরকম ছোটকক্ষ রয়েছে। তবে সাধারণত সচিব, সিনিয়র সচিবদের অফিসে বিশ্রাম কক্ষটি অপেক্ষাকৃত বড়। শুধু সচিবদের নয়, মন্ত্রীদেরও এরকম ছোট কক্ষ রয়েছে। এই কক্ষগুলো অনতিবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন মারা গেছেন

বন্ধ হচ্ছে ‘খাস কামরা’

প্রকাশিত : ১০:০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৯

সরকারের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছোট রুমগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আলোচিত ঘটনাটির পর সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে বেশ টনক নড়েছে

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মূল অফিস রুমের সঙ্গে লাগোয়া ছোটরুমে অনেক সময়ে খাট রাখা হয়। আবার অনেক সময় সেখানে টেবিল চেয়ারও থাকে যাতে সেখানে উর্ধ্বতন আমলারা বিশ্রাম নিতে পারে বা দুপুরের আহার করতে পারে।

কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সরকারি অফিস কাজের জায়গা, সেটি বিশ্রাম করার জায়গা নয়। বিশ্রাম করার জন্য কর্মকর্তাদের বাসস্থান রয়েছে। এই সরকারি অফিসগুলোতে কোনোরকম বিশ্রাম কক্ষ বা ছোট কক্ষ থাকার প্রয়োজন নেই।
এই ছোটকক্ষের এরকম অনেক অপব্যবহারের কথা এর আগেও জনপ্রশাসন এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে এসেছিল। এজন্যই সরকার এখন চূড়ান্তভাবে অনতিবিলম্বে সার্কুলার জারি করছে যেখানে এইসব বিশ্রাম কক্ষগুলো বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ছাড়াও সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে এরকম ছোটকক্ষ রয়েছে। তবে সাধারণত সচিব, সিনিয়র সচিবদের অফিসে বিশ্রাম কক্ষটি অপেক্ষাকৃত বড়। শুধু সচিবদের নয়, মন্ত্রীদেরও এরকম ছোট কক্ষ রয়েছে। এই কক্ষগুলো অনতিবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ