০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরাকে বিক্ষোভ অব্যাহত দুই দিনে নিহত ১২০

ইরাকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র দলগুলোর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে দুই দিনে অন্তত ১২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।

বিক্ষোভ ও সহিংসতা মোকাবেলায় শনিবার রাতে রাজধানী বাগদাদ ও দক্ষিণের নাসিরিয়া শহরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ বিভাগের সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি। যেকোন মূল্যে বিক্ষোভ অবসানে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ কর্মকর্তাদের নির্দেশও দেন তিনি।

এরআগে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েও ব্যর্থ হয় নিরাপত্তা বাহিনী। নাসিরিয়ায় বিক্ষোভকারীদের মারধর ও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার বাগদাদে নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া টিয়ার গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান চার বিক্ষোভকারী। নাসিরিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে নিহত হন আরো চারজন। এছাড়া, হিলায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান আরো সাতজন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের ন্যূনতম চাহিদা পূরণে তারা এই বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সরকার তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তেলসমৃদ্ধ দেশটি বর্তমানে চরম রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

ইরাকে বিক্ষোভ অব্যাহত দুই দিনে নিহত ১২০

প্রকাশিত : ০৬:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৯

ইরাকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র দলগুলোর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে দুই দিনে অন্তত ১২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক।

বিক্ষোভ ও সহিংসতা মোকাবেলায় শনিবার রাতে রাজধানী বাগদাদ ও দক্ষিণের নাসিরিয়া শহরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ বিভাগের সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি। যেকোন মূল্যে বিক্ষোভ অবসানে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ কর্মকর্তাদের নির্দেশও দেন তিনি।

এরআগে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েও ব্যর্থ হয় নিরাপত্তা বাহিনী। নাসিরিয়ায় বিক্ষোভকারীদের মারধর ও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার বাগদাদে নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া টিয়ার গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান চার বিক্ষোভকারী। নাসিরিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে নিহত হন আরো চারজন। এছাড়া, হিলায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান আরো সাতজন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের ন্যূনতম চাহিদা পূরণে তারা এই বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সরকার তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তেলসমৃদ্ধ দেশটি বর্তমানে চরম রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান