০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুতা চুরির মামলা

স্বর্ণালঙ্কার বা টাকা চুরি-ডাকাতির অভিযোগে মামলা হওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটছে। এমন ধারার সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। কিন্তু ভারতের চেন্নাইয়ে সেক্রেটারিয়েট কলোনির পুলিশ শনিবার বিস্মিত হয়ে যায়। এর কারণ, এক ব্যবসায়ী তাদের কাছে গিয়েছিলেন জুতা চুরি যাওয়ার মামলা করতে।

ওই ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ১০ জোড়া জুতা চুরি গেছে। এর মূল্য কমপক্ষে ৭৬ হাজার রুপি। তাই তিনি মামলা করতে গিয়েছেন। ব্যবসায়ির নাম আবদুল হাফিজ।

তিনি কিলপাউকে দিওয়ান বাহাদুর শানমুগাম স্ট্রিটের একজন বাসিন্দা। পুলিশে হাজির হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন যে, তার জুতাগুলো ব্রান্ডের এবং খুব দামী। শনিবার তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন জুতা নেই। অথচ তিনি বাড়িতে। বাসার মূল দরজা তালা দেয়া।

দোতলা এই বাসায়ই প্রবেশপথের কাছে ছিল তার ১০ জোড়া জুতা। এর মধ্যে রয়েছে জুতা এবং স্যান্ডেল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে এসব হাওয়া হয়ে যায়। আবদুল হাফিজ সন্দেহজনক কাউকে চলাফেরা করতেও দেখেন নি। ঘর থেকে বের হতে গিয়ে তিনি দেখেন জুতা, স্যান্ডেল কিছুই নেই।

অভিযোগে তিনি সন্দেহের আঙ্গুল তুলেছেন তার প্রতিবেশীদের দিকে। তারা হলেন ব্যাচেলরদের একটি গ্রুপ। তারা হাফিজের পাশেই বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। এ ছাড়া সন্দেহের মধ্যে রয়েছে তার গৃহকর্মীরাও।

জবাবে পুলিশ বলেছে, তারা রোববার এ বিষয়ে কোনো কাজ করতে পারেন নি। আজ সোমবার ওইসব ব্যাচেলর যখন তাদের আবাসনে ফিরবেন তখন তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ছাড়া ওই বাসার সিসিটিভি ফুটেজও চেক করে দেখছে পুলিশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

জুতা চুরির মামলা

প্রকাশিত : ০৭:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

স্বর্ণালঙ্কার বা টাকা চুরি-ডাকাতির অভিযোগে মামলা হওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটছে। এমন ধারার সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। কিন্তু ভারতের চেন্নাইয়ে সেক্রেটারিয়েট কলোনির পুলিশ শনিবার বিস্মিত হয়ে যায়। এর কারণ, এক ব্যবসায়ী তাদের কাছে গিয়েছিলেন জুতা চুরি যাওয়ার মামলা করতে।

ওই ব্যবসায়ীর কমপক্ষে ১০ জোড়া জুতা চুরি গেছে। এর মূল্য কমপক্ষে ৭৬ হাজার রুপি। তাই তিনি মামলা করতে গিয়েছেন। ব্যবসায়ির নাম আবদুল হাফিজ।

তিনি কিলপাউকে দিওয়ান বাহাদুর শানমুগাম স্ট্রিটের একজন বাসিন্দা। পুলিশে হাজির হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন যে, তার জুতাগুলো ব্রান্ডের এবং খুব দামী। শনিবার তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন জুতা নেই। অথচ তিনি বাড়িতে। বাসার মূল দরজা তালা দেয়া।

দোতলা এই বাসায়ই প্রবেশপথের কাছে ছিল তার ১০ জোড়া জুতা। এর মধ্যে রয়েছে জুতা এবং স্যান্ডেল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে এসব হাওয়া হয়ে যায়। আবদুল হাফিজ সন্দেহজনক কাউকে চলাফেরা করতেও দেখেন নি। ঘর থেকে বের হতে গিয়ে তিনি দেখেন জুতা, স্যান্ডেল কিছুই নেই।

অভিযোগে তিনি সন্দেহের আঙ্গুল তুলেছেন তার প্রতিবেশীদের দিকে। তারা হলেন ব্যাচেলরদের একটি গ্রুপ। তারা হাফিজের পাশেই বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। এ ছাড়া সন্দেহের মধ্যে রয়েছে তার গৃহকর্মীরাও।

জবাবে পুলিশ বলেছে, তারা রোববার এ বিষয়ে কোনো কাজ করতে পারেন নি। আজ সোমবার ওইসব ব্যাচেলর যখন তাদের আবাসনে ফিরবেন তখন তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ছাড়া ওই বাসার সিসিটিভি ফুটেজও চেক করে দেখছে পুলিশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান