০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক ইনজেকশন

বিশ্বে প্রথমবারের মতো পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক ইনজেকশনের সফল পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়েছে ভারতের চিকিৎসা গবেষণা কাউন্সিল (আইসিএমআর)। বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসার জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই জন্মনিরোধক ইনজেকশন। সংশ্লিষ্ঠ গবেষকদের বরাতে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্থান টাইমস।

এর আগে, ভ্যাসেকটমি ছাড়া পুরুষদের জন্য আর কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছিল না। ভারতে উদ্ভাবিত এই পুরুষের জন্মনিরোধক ইনজেকশনের কার্যকাল ধরা হয়েছে ১৩ বছর। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর পুরুষের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা পুনরায় ফিরে আসবে।

আইসিএমআরের উর্ধ্বতন গবেষক ডা. আরএস শর্মা জানিয়েছেন, ৩০৩ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর সফলভাবে গবেষণা শেষ করার পর এখন প্রোডাক্টটি বাজারে আসার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। গবেষণাকালীন সময়ে প্রোডাক্টির ৯৭.৩ শতাংশ সাফল্য রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুরুষের জন্মনিরোধক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও একটি গবেষণা চলছিল। যদিও সেই গবেষণার ফলাফল এখনও আলোর মুখ দেখেনি। একইভাবে যুক্তরাজ্যেও ২০১৬ সালে পুরুষের জন্মনিরোধক আবিষ্কারের ব্যাপারে গবেষণা শুরু হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে, এক জরিপ থেকে দেখা যায় ভারতের শতকরা ৫৩.৫ শতাংশ দম্পতিই কোনো না কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। এক্ষেত্রে ৩৬ শতাংশ নারী জন্মনিরোধক কার্যক্রমের অধীনে আসেন। আর পুরুষের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ০.৩ শতাংশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

এবার পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক ইনজেকশন

প্রকাশিত : ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

বিশ্বে প্রথমবারের মতো পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক ইনজেকশনের সফল পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়েছে ভারতের চিকিৎসা গবেষণা কাউন্সিল (আইসিএমআর)। বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসার জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই জন্মনিরোধক ইনজেকশন। সংশ্লিষ্ঠ গবেষকদের বরাতে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্থান টাইমস।

এর আগে, ভ্যাসেকটমি ছাড়া পুরুষদের জন্য আর কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছিল না। ভারতে উদ্ভাবিত এই পুরুষের জন্মনিরোধক ইনজেকশনের কার্যকাল ধরা হয়েছে ১৩ বছর। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর পুরুষের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা পুনরায় ফিরে আসবে।

আইসিএমআরের উর্ধ্বতন গবেষক ডা. আরএস শর্মা জানিয়েছেন, ৩০৩ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর সফলভাবে গবেষণা শেষ করার পর এখন প্রোডাক্টটি বাজারে আসার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। গবেষণাকালীন সময়ে প্রোডাক্টির ৯৭.৩ শতাংশ সাফল্য রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুরুষের জন্মনিরোধক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও একটি গবেষণা চলছিল। যদিও সেই গবেষণার ফলাফল এখনও আলোর মুখ দেখেনি। একইভাবে যুক্তরাজ্যেও ২০১৬ সালে পুরুষের জন্মনিরোধক আবিষ্কারের ব্যাপারে গবেষণা শুরু হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে, এক জরিপ থেকে দেখা যায় ভারতের শতকরা ৫৩.৫ শতাংশ দম্পতিই কোনো না কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। এক্ষেত্রে ৩৬ শতাংশ নারী জন্মনিরোধক কার্যক্রমের অধীনে আসেন। আর পুরুষের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ০.৩ শতাংশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান