বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জিন-ম্যারিন সুও বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ফ্রান্স বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
ফ্রান্সের টেকসই জ্বালানি নীতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা বাংলাদেশের জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-২ উৎক্ষেপনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার বিষয়েও তিনি আকাঙ্খা ব্যাক্ত করেন।
তিনি পারস্পরিক সুবিধার্থে বাংলাদেশের সঙ্গে তার দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আগ্রহ দেখান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র সময়ে উপকূলীয় এলাকা থেকে ২২ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশের বনাঞ্চল বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তার সরকারের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনাই গ্রামভিত্তিক উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষ এখন বিদ্যুতের সুবিধার আওতায় এসেছে এবং দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যহারে হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফ্রান্সের সরকার ও জনগণের অবদানের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাকের সঙ্গে তার বৈঠকের কথাও স্মরণ করেন তিনি।
বৈঠকে তারা ব্লু ইকনমির অর্থনীতির সম্ভাবনা, নদী খনন এবং লিঙ্গ সমতার বিষয়েও আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























