০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

কমলগঞ্জে এক ঘন্টার আগুনে সব শেষ করে দিয়েছে হোসেন আলীর

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে মুহুর্তে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে প্রায় ঘণ্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়। কিন্তু ততক্ষণে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিদ্যুতিক সটসার্কিটে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে বলে জানায় ফায়ারসার্ভিস।
স্থানীয় ও ফায়ারসার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামের কৃষক হোসেন আলীর রান্নাঘর থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে সেখান থেকে আগুন বৈদ্যুতিক লাইনে গেলে আগুন মুহুর্তের মধ্যে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়,ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষণে হোসেন আলীর বসতঘরসহ ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ পুড়ে যাওয়া বাড়িঘর পরিদর্শন করেন। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নগদ ৩০হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ তরফদারের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫হাজার টাকার টেউটিন ও নগদ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত হোসেন আলীর বলেন, আগুন আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। আমরা এখন কীভাবে বাঁচবো।
মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাহিদ আহমেদ তরফদার বলেন, আগুনে ৫টি ঘর পুড়ে গেছে। এতে তাদের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কমলগঞ্জ ফায়ারসার্ভিসের ইউনিট লিডার ফারুক আহমেদ জানান,‘আগুন লাগার খবর শুনে দ্রুত আমাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ঘন্টাব্যাপি আমরা কাজ করি সাথে স্থানীরা আমাদের সহযোগীতা করেন। একই পরিবারের ৫টি ঘর একবারে পুরে চাই হয়ে যায়।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন জানান, আমরা পুড়ে যাওয়া হোসেন আলীর ঘর পরিদর্শন করেছি পশুপাখীসহ অনেক প্রাণী পুড়ে গেছে। আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে উনাদের নগদ ৩০ হাজার টাকা সহযোগীতা করেছি। তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগীতা করা হবে ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বড়লেখায় ৪,০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

কমলগঞ্জে এক ঘন্টার আগুনে সব শেষ করে দিয়েছে হোসেন আলীর

প্রকাশিত : ০৯:২৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে মুহুর্তে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে প্রায় ঘণ্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়। কিন্তু ততক্ষণে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিদ্যুতিক সটসার্কিটে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে বলে জানায় ফায়ারসার্ভিস।
স্থানীয় ও ফায়ারসার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামের কৃষক হোসেন আলীর রান্নাঘর থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে সেখান থেকে আগুন বৈদ্যুতিক লাইনে গেলে আগুন মুহুর্তের মধ্যে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়,ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষণে হোসেন আলীর বসতঘরসহ ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ পুড়ে যাওয়া বাড়িঘর পরিদর্শন করেন। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নগদ ৩০হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ তরফদারের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫হাজার টাকার টেউটিন ও নগদ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত হোসেন আলীর বলেন, আগুন আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। আমরা এখন কীভাবে বাঁচবো।
মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাহিদ আহমেদ তরফদার বলেন, আগুনে ৫টি ঘর পুড়ে গেছে। এতে তাদের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কমলগঞ্জ ফায়ারসার্ভিসের ইউনিট লিডার ফারুক আহমেদ জানান,‘আগুন লাগার খবর শুনে দ্রুত আমাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ঘন্টাব্যাপি আমরা কাজ করি সাথে স্থানীরা আমাদের সহযোগীতা করেন। একই পরিবারের ৫টি ঘর একবারে পুরে চাই হয়ে যায়।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন জানান, আমরা পুড়ে যাওয়া হোসেন আলীর ঘর পরিদর্শন করেছি পশুপাখীসহ অনেক প্রাণী পুড়ে গেছে। আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে উনাদের নগদ ৩০ হাজার টাকা সহযোগীতা করেছি। তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগীতা করা হবে ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh