০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে ক্রিকেট উৎসব শুরু আজ

ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধু বিপিএল এখন চট্টগ্রামে। আগামী কয়েক দিন ব্যাট-বলের ক্রিকেট উৎসব হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

আজ দুপুরে রাজশাহী রয়্যালস ও খুলনা টাইগার্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব। সন্ধ্যায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক চট্টগ্রাম চালেঞ্জার্স লড়বে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে।

ম্যাচ দুটির টিকিট বিক্রি শুরু হয় সোমবার সকাল থেকে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন টিকিট বুথ (বিটেক মোড়) ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে দেওয়া হয় টিকিট। সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে টিকিট বিক্রি।

এবার ঢাকায় বিপিএল দর্শক টানতে পারেনি। বেশিরভাগ ম্যাচেই গ্যালারির বেশ বড় একটা অংশ থেকেছে ফাঁকা। শুক্রবার ছুটির দিনেও ভরেনি মিরপুর শের-ই-বাংলা। চট্টগ্রামে দর্শকের উপস্থিতি কেমন হয়, সেটাই এখন দেখার।

অবশ্য চট্টগ্রামে দর্শক-খরা তেমন একটা দেখা যায় না। আন্তর্জাতিক কিংবা বিপিএলের ম্যাচ, সব সময়ই দর্শক উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। বঙ্গবন্ধু বিপিএলেও ব্যতিক্রম হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামের উইকেট সব সময়ই ব্যাটিং সহায়ক।তবুও ম্যাচের আগের দিন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবুর দিকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন ছুড়লেন ‘বাবু ভাই রান হবে তো?’ জাহিদ রেজা বাবু শুধু হাসলেন।

মিরপুরের উইকেটে রান হয় না বলে একটা দুর্নাম আছে। এবার সেখানেও বেশ রান হয়েছে। যেটা অবাক করেছে লিটন দাসকে। তার আশা চট্টগ্রামের উইকেটেও রান আসবে, ‘আমি নিজেও অবাক, মিরপুরের উইকেটে ১৫০, ১৭০ রান সহজেই চেজ করছে। যেটা হয় না। কয়েক বছর বিপিএল দেখলে সেটা আপনারা দেখবেন। আমার মনে হয় চট্টগ্রামেও খুব ভালো কিছু খেলা হবে।’

চট্টগ্রামের দর্শকরাও তো এমন ভালো খেলা দেখার অপেক্ষাতেই আছেন!

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

চট্টগ্রামে ক্রিকেট উৎসব শুরু আজ

প্রকাশিত : ১১:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধু বিপিএল এখন চট্টগ্রামে। আগামী কয়েক দিন ব্যাট-বলের ক্রিকেট উৎসব হবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

আজ দুপুরে রাজশাহী রয়্যালস ও খুলনা টাইগার্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব। সন্ধ্যায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক চট্টগ্রাম চালেঞ্জার্স লড়বে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে।

ম্যাচ দুটির টিকিট বিক্রি শুরু হয় সোমবার সকাল থেকে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন টিকিট বুথ (বিটেক মোড়) ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে দেওয়া হয় টিকিট। সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে টিকিট বিক্রি।

এবার ঢাকায় বিপিএল দর্শক টানতে পারেনি। বেশিরভাগ ম্যাচেই গ্যালারির বেশ বড় একটা অংশ থেকেছে ফাঁকা। শুক্রবার ছুটির দিনেও ভরেনি মিরপুর শের-ই-বাংলা। চট্টগ্রামে দর্শকের উপস্থিতি কেমন হয়, সেটাই এখন দেখার।

অবশ্য চট্টগ্রামে দর্শক-খরা তেমন একটা দেখা যায় না। আন্তর্জাতিক কিংবা বিপিএলের ম্যাচ, সব সময়ই দর্শক উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। বঙ্গবন্ধু বিপিএলেও ব্যতিক্রম হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামের উইকেট সব সময়ই ব্যাটিং সহায়ক।তবুও ম্যাচের আগের দিন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবুর দিকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন ছুড়লেন ‘বাবু ভাই রান হবে তো?’ জাহিদ রেজা বাবু শুধু হাসলেন।

মিরপুরের উইকেটে রান হয় না বলে একটা দুর্নাম আছে। এবার সেখানেও বেশ রান হয়েছে। যেটা অবাক করেছে লিটন দাসকে। তার আশা চট্টগ্রামের উইকেটেও রান আসবে, ‘আমি নিজেও অবাক, মিরপুরের উইকেটে ১৫০, ১৭০ রান সহজেই চেজ করছে। যেটা হয় না। কয়েক বছর বিপিএল দেখলে সেটা আপনারা দেখবেন। আমার মনে হয় চট্টগ্রামেও খুব ভালো কিছু খেলা হবে।’

চট্টগ্রামের দর্শকরাও তো এমন ভালো খেলা দেখার অপেক্ষাতেই আছেন!

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান