চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় মিষ্টি পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের। উৎপাদন খরচ বেশি হলেও দাম ভাল পাওয়া যায়। ফলে চাষীরা পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
জানা গেছে, উপজেলার চুনতি, পুটিবিলা. বড়হাতিয়া এলাকায় পান চাষ হয়। তবে উপজেলার চুনতি এলাকায় বেশি চাষ হয়। এই এলাকার সাতগড়সহ পাহাড়ি এলাকায় প্রচুর পান চাষ হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চুনতির সাতগড় এলাকায় রাস্তার পাশে কৃষি জমিতে, টিলায় ও পাহাড়ের নিচে জমিতে প্রচুর পান চাষ হয়েছে। রয়েছে বহু পানের বরজ। প্রত্যেক বরজে সারি সারি পানের লতা। খুঁটিতে পেঁচানো পানের লতায় ধরেছে প্রচুর পান। ইতিমধ্যে পানের সাইজও বড় হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, লোহাগাড়া উপজেলায় ৩২ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়েছে। বেশি চাষ হয়েছে চুনতি এলাকায়। গত বছরের তুলনায় এবছর বেড়েছে পান চাষ।
চাষীরা জানান, পান গাছ লাগানোর ছয় মাসের পর থেকে ফলন পাওয়া যায়। একবার লাগানো গাছ থেকে বেশ কয়েক বছর অনায়াসে পান সংগ্রহ করা যায়। অন্যান্য ফসলের তুলনায় পান চাষে লাভ অনেক বেশি।
উপজেলার উপজেলার চুনতি সুফিনগর এলাকার আরেক পান চাষী মো: সিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি ৪০ শতক জমিতে পান চাষ করেছেন। পান চাষে লাভবান হচ্ছেন। গত বছর থেকে তিনি পান চাষ শুরু কেেছন।
চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় এলাকার পান চাষী শামশুল আলম জানান, তিনি এ বছর ৬ শতক জমিতে পান চাষ করেছেন। তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। মানভেদে প্রতি বিড়া পান ৬০-১৩০ টাকায় বিক্রি করা যায়। একটি সুস্থ পান গাছে ৯০-১৫০টি পর্যন্ত পান পাওয়া যায়। প্রথম বারে তিনি ২০ হাজার টাকার মত পান বিক্রি করেছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মনিরুল ইসলাম, জানান, লোহাগাড়ার মাটি ও আবহাওয়া পান চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। নিয়মিত ও সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে পান চাষে ভাল ফলন পাওয়া যায়। উপজেলায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের। তিনি পুকুরে বা খালের পানিতে পান ধৌত না করে টিউবওয়েলের পানিতে ধৌত করার করার জন্য চাষীদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান




















