চুরির সন্দেহে সাংবাদিকদের আটকে রাখার ঘটনায় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ঠিক করেন।
এর আগে এ মামলায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘সত্যতা পায়নি’ মর্মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব রহমান। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দেন মামলার বাদী স্টুডেন্ট জার্নাল বিডির সম্পাদক নুজহাতুল হাসান। পরে ২৫ নভেম্বর আদালত পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেয়।
গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দুটি স্মার্টফোন চুরি হয়ে যায়। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশত সাংবাদিক ও ক্যামেরাপারসন এবং শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
হারানো মোবাইল সাংবাদিকরা চুরি করেছেন বলে শমী গেট আটকে রাখেন এবং সবাইকে তল্লাশির কথা বলেন। পরে টিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বাইরের একজনের কাছ থেকে মোবাইল দুটি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে। পরে ৩০ এপ্রিল দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় এ মানহানি মামলা করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























