০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

শেষ পর্যায়ে ইজতেমার প্রস্তুতি

টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী বুধবারের মধ্যেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শনিবার তিনি বলেন, তবলিগ জামাতের মুসল্লিরা আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই প্যান্ডেলের ভেতর অবস্থান নিতে পারবেন।

আগামী ১০ জানুয়ারী থেকে আম বয়ানের মধ্যে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে। ৩ দিনব্যাপী প্রথম পর্ব ১২ জানুয়ারি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পরে ৪ দিন বিরতি দিয়ে ২য় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৯ জানুয়ারি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতি হিসেবে রোদ, বৃষ্টি ও শীত উপেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা প্যান্ডেলের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। ঢাকা ও আশপাশের মসজিদ মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও একসঙ্গে কাজ করেছেন।

এছাড়া সার্বিক মনিটরিং’র জন্য ৮টি কন্ট্রোল রুম রয়েছে। পরিসেবার মধ্যে রয়েছে পয়ঃনিষ্কাষন ও পানির ব্যবস্থা। ওজু গোসলের ব্যবস্থাসহ তিনতলা বিশিষ্ট ৩১টি পাকা ভবনে ৮ হাজারের মতো ইউনিট টয়লটের ব্যবস্থা রয়েছে। আরো ১ হাজার মোবাইল টয়লেট করা হচ্ছে। মুসল্লিদের আসার জন্য ৪০০ বিআরটিসি বাস, বিশেষ ট্রেনসহ লঞ্চ-নৌ বোর্ড থাকবে। মাঠের উত্তর পাশে র‌্যাব, পুলিশ জেলা প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের পৃথক কন্ট্রল রুম স্থাপন করা হয়েছে ইজতেমা ময়দানের সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণের জন্য।

জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানে ২০টি প্রবেশ গেট আছে। এসব গেটে আর্চওয়ে থাকবে। পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য ২৫টি ওয়াচ টাওয়ারও থাকবে। ৪ শতাধিক সিসি টিভি থাকবে। পাশাপাশি তাৎক্ষনিক বিচার, নিরাপত্তা, বিশুদ্ধ খাবার এবং আনুসাঙ্গিক বিষয় সুষ্ঠুভাবে সমাধানের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৩০টির বেশি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে যাতে সুষ্ঠুভাবে ইজতেমা সম্পন্ন করা যায়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পুরো ইজতেমা ময়দান নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। ৮ হাজারের উপরে পুলিশ, র‌্যাব সদস্য, আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের তিন শতাধিক সদস্য কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

শেষ পর্যায়ে ইজতেমার প্রস্তুতি

প্রকাশিত : ০১:১৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০

টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী বুধবারের মধ্যেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শনিবার তিনি বলেন, তবলিগ জামাতের মুসল্লিরা আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই প্যান্ডেলের ভেতর অবস্থান নিতে পারবেন।

আগামী ১০ জানুয়ারী থেকে আম বয়ানের মধ্যে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে। ৩ দিনব্যাপী প্রথম পর্ব ১২ জানুয়ারি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। পরে ৪ দিন বিরতি দিয়ে ২য় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৯ জানুয়ারি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার ইজতেমা ময়দানের প্রস্তুতি হিসেবে রোদ, বৃষ্টি ও শীত উপেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা প্যান্ডেলের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। ঢাকা ও আশপাশের মসজিদ মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও একসঙ্গে কাজ করেছেন।

এছাড়া সার্বিক মনিটরিং’র জন্য ৮টি কন্ট্রোল রুম রয়েছে। পরিসেবার মধ্যে রয়েছে পয়ঃনিষ্কাষন ও পানির ব্যবস্থা। ওজু গোসলের ব্যবস্থাসহ তিনতলা বিশিষ্ট ৩১টি পাকা ভবনে ৮ হাজারের মতো ইউনিট টয়লটের ব্যবস্থা রয়েছে। আরো ১ হাজার মোবাইল টয়লেট করা হচ্ছে। মুসল্লিদের আসার জন্য ৪০০ বিআরটিসি বাস, বিশেষ ট্রেনসহ লঞ্চ-নৌ বোর্ড থাকবে। মাঠের উত্তর পাশে র‌্যাব, পুলিশ জেলা প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের পৃথক কন্ট্রল রুম স্থাপন করা হয়েছে ইজতেমা ময়দানের সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণের জন্য।

জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানে ২০টি প্রবেশ গেট আছে। এসব গেটে আর্চওয়ে থাকবে। পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য ২৫টি ওয়াচ টাওয়ারও থাকবে। ৪ শতাধিক সিসি টিভি থাকবে। পাশাপাশি তাৎক্ষনিক বিচার, নিরাপত্তা, বিশুদ্ধ খাবার এবং আনুসাঙ্গিক বিষয় সুষ্ঠুভাবে সমাধানের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৩০টির বেশি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে যাতে সুষ্ঠুভাবে ইজতেমা সম্পন্ন করা যায়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পুরো ইজতেমা ময়দান নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। ৮ হাজারের উপরে পুলিশ, র‌্যাব সদস্য, আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের তিন শতাধিক সদস্য কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান