০৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফ্রিকার বর্ষসেরার মুকুট জিতলেন মানে

২০১৯ সালের আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন সেনেগাল ও লিভারপুলের উইঙ্গার সাদিও মানে। গত বছর ক্লাবের হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পাশাপাশি সেনেগালকে আফ্রিকার কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে তুলতে অবদান রাখেন তিনি।

লিভারপুল সতীর্থ মোহামেদ সালাহকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আফ্রিকা সেরার মুকুট পরলেন সাদিও মানে। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে এই পুরস্কার জিতেছিলেন সালাহ।

সেরার তালিকার তিনে ছিলেন আলজেরিয়া ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলা রিয়াদ মাহরেজ। ২০১৬ সালে এই পুরস্কার উঠেছিলো মাহরেজের হাতে।

২০০১ ও ২০০২ সালে সেনেগাল থেকে প্রথম এই পুরস্কার জেতেন এল হাজি দিয়ুফ। দেশটির মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন মানে।

আফ্রিকার সেরার এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় মিশরে হুর্গাদায়।

২০১৯ সালে লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন মানে ও সালাহ।

গডত মৌসুমে ৬১ ম্যাচ থেকে ৩৪টি গোলের পাশাপাশি ১২টি গোলে সহযোগিতা করেন মানে। অন্যদিকে ৫৫ ম্যাচে ২৬টি গোল করেন সালাহ। ১০টি গোলে সহযোডগিতা করেন তিনি।

অন্যদিকে মাহরেজ ম্যাচ খেলেছেন ৪৮টি। এ সময়ে ১৪টি গোল ও ১৮টি গোলে সহায়তা করেছেন মাহরেজ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ঠিকাদার সমিতির নবনির্বাচিত কমিটি গঠিত

আফ্রিকার বর্ষসেরার মুকুট জিতলেন মানে

প্রকাশিত : ০১:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০

২০১৯ সালের আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন সেনেগাল ও লিভারপুলের উইঙ্গার সাদিও মানে। গত বছর ক্লাবের হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পাশাপাশি সেনেগালকে আফ্রিকার কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে তুলতে অবদান রাখেন তিনি।

লিভারপুল সতীর্থ মোহামেদ সালাহকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আফ্রিকা সেরার মুকুট পরলেন সাদিও মানে। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে এই পুরস্কার জিতেছিলেন সালাহ।

সেরার তালিকার তিনে ছিলেন আলজেরিয়া ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলা রিয়াদ মাহরেজ। ২০১৬ সালে এই পুরস্কার উঠেছিলো মাহরেজের হাতে।

২০০১ ও ২০০২ সালে সেনেগাল থেকে প্রথম এই পুরস্কার জেতেন এল হাজি দিয়ুফ। দেশটির মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন মানে।

আফ্রিকার সেরার এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় মিশরে হুর্গাদায়।

২০১৯ সালে লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন মানে ও সালাহ।

গডত মৌসুমে ৬১ ম্যাচ থেকে ৩৪টি গোলের পাশাপাশি ১২টি গোলে সহযোগিতা করেন মানে। অন্যদিকে ৫৫ ম্যাচে ২৬টি গোল করেন সালাহ। ১০টি গোলে সহযোডগিতা করেন তিনি।

অন্যদিকে মাহরেজ ম্যাচ খেলেছেন ৪৮টি। এ সময়ে ১৪টি গোল ও ১৮টি গোলে সহায়তা করেছেন মাহরেজ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান