০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভিডিও নিয়ে কড়া অবস্থানে ফেসবুক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সম্পাদনা করা ভিডিও ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেবে। এ ধরনের ভিডিও ‘ডিপফেক’ নামে পরিচিত। এছাড়া অন্যান্য ভিডিও নিয়েও নিজেদের কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছে ফেসবুক।

ডিপফেক বলতে নকল ভিডিও বা অডিওকে বোঝায়। আপাতদৃষ্টিতে দেখতে আসল মনে হলেও তা নকল। ডিপফেক নামটির মাঝেই এর সংজ্ঞা রয়েছে। ডিপ মানে গভীর, ফেক মানে নকল। অর্থাৎ ডিপফেক সুক্ষ্মভাবে নকল করাকে বোঝায়। মেশিন লার্নিং হলো ডিপফেক ভিডিও বানানোর প্রধান অস্ত্র। খবর বিবিসি।

সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি জানিয়েছে, এ ধরনের ভিডিও বাস্তবতা পরিপন্থী এবং প্রযুক্তি শিল্পের জন্য ‘উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে এসেছে। সাধারণ মানুষ ধরতে পারবেন না বা তাদেরকে ভ্রান্ত ধারণা দেবে কিংবা ভুল পথে পরিচালিত করবে এমন ভিডিও মুছে দেয়া হবে।

ফেসবুক প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও ডিপফেক ভিডিও’র হাত থেকে রেহাই পাননি। ওই ভিডিওটিতে কম্পিউটার সংস্করণের এক জাকারবার্গকে সামাজিক নেটওয়ার্কের সফলতার জন্য গোপন সংগঠনকে ধন্যবাদ দিতে দেখা যায়। এরপর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই নিজেদের ডিপফেক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়িয়েছে ফেসবুক। এমনকি এক কোটি ডলার তহবিলও বরাদ্দ করা হয়েছিল ডিপফেক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির উন্নয়নে।

ডিপফেকের পাশাপাশি ফেসবুকের পক্ষ থেকে নগ্ন, সহিংস, ঘৃণ্য বক্তব্যের মতো বিভিন্ন ভিডিও বন্ধ করার উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। তবে ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ ভুয়া খবর বা তথ্য সরানোর চেয়েও ডিপফেক কনটেন্ট সরানো কঠিন হয়ে যাবে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে আজ তারেক রহমানের জনসভা

ভিডিও নিয়ে কড়া অবস্থানে ফেসবুক

প্রকাশিত : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২০

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সম্পাদনা করা ভিডিও ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেবে। এ ধরনের ভিডিও ‘ডিপফেক’ নামে পরিচিত। এছাড়া অন্যান্য ভিডিও নিয়েও নিজেদের কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছে ফেসবুক।

ডিপফেক বলতে নকল ভিডিও বা অডিওকে বোঝায়। আপাতদৃষ্টিতে দেখতে আসল মনে হলেও তা নকল। ডিপফেক নামটির মাঝেই এর সংজ্ঞা রয়েছে। ডিপ মানে গভীর, ফেক মানে নকল। অর্থাৎ ডিপফেক সুক্ষ্মভাবে নকল করাকে বোঝায়। মেশিন লার্নিং হলো ডিপফেক ভিডিও বানানোর প্রধান অস্ত্র। খবর বিবিসি।

সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি জানিয়েছে, এ ধরনের ভিডিও বাস্তবতা পরিপন্থী এবং প্রযুক্তি শিল্পের জন্য ‘উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে এসেছে। সাধারণ মানুষ ধরতে পারবেন না বা তাদেরকে ভ্রান্ত ধারণা দেবে কিংবা ভুল পথে পরিচালিত করবে এমন ভিডিও মুছে দেয়া হবে।

ফেসবুক প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও ডিপফেক ভিডিও’র হাত থেকে রেহাই পাননি। ওই ভিডিওটিতে কম্পিউটার সংস্করণের এক জাকারবার্গকে সামাজিক নেটওয়ার্কের সফলতার জন্য গোপন সংগঠনকে ধন্যবাদ দিতে দেখা যায়। এরপর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই নিজেদের ডিপফেক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়িয়েছে ফেসবুক। এমনকি এক কোটি ডলার তহবিলও বরাদ্দ করা হয়েছিল ডিপফেক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির উন্নয়নে।

ডিপফেকের পাশাপাশি ফেসবুকের পক্ষ থেকে নগ্ন, সহিংস, ঘৃণ্য বক্তব্যের মতো বিভিন্ন ভিডিও বন্ধ করার উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। তবে ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ ভুয়া খবর বা তথ্য সরানোর চেয়েও ডিপফেক কনটেন্ট সরানো কঠিন হয়ে যাবে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান