০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ড. ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

দেশের একমাত্র নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন না মানায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আগামী ১২ জানুয়ারি আদেশের জন্য তালিকায় রয়েছে।

ইউনূস ছাড়াও মামলায় আরো দুজনকে বিবাদী করা হয়। তারা হলেন-গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আঃ হাই খাঁন ও উপ মহাব্যবস্থাপক গৌরি শংকর।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি ঢাকা তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম এই মামলা করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ‘বাদী ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর গ্রামীণ কমিউনিকেশনসে সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ১০টি বিধি লঙ্ঘন দেখতে পান। লঙ্ঘনসমুহ সংশোধনের জন্য বাদী কর্তৃক বিবাদী পক্ষের পূর্ব পরিদর্শককে ৩০ এপ্রিল প্রদর্শন করেন। পরে বিবাদীপক্ষ ৭ মে ডাকযোগে এ বিষয়ে জবাব দিলে তা সন্তোষজনক হয়নি।২৮ অক্টোবর বর্তমান পরিদর্শক তা আবারও তা অবহিত করেন। লঙ্ঘনসমুহ বাস্তবায়ন না করে বিবাদীরা আবারও সময়ের আবেদন করেন। সময়ের আবেদন মোতাবেক তারা জবাব দাখিল করেনি। এতে প্রতিয়মান হয় যে বিবাদীরা শ্রম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। উপরোক্ত অবস্থায় বিবাদীগন বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম ( সংশোধন ) আইন, ২০১৩ ধারা ৩৩( ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দন্ডনীয় অপরাধ বলে মনে করেন।’

যে দশটি আইন লঙ্ঘন করেছে ড. ইউনূসের কোম্পানি তা হলো-

০১) বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয় পত্র ও সার্ভিস বহি প্রদান করা হয় নাই।

০২) বিধি মোতাবেক শ্রমিকের কাজের সময়ের নোটিশ পরিদর্শকের নিকট হতে অনুমোদিত নয়।

০৩) কোম্পানিটি বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল করে নাই।

০৪) বছরান্তে কর্মীদের অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন করা হয় না।

০৫) কোম্পানির নিয়োগ বিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়।

০৬) ক্ষতিপূরণমুলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় না।

০৭) কোম্পানির মুনাফার অংশ 5% শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠন সহ লভ্যাংশ বন্টন করা হয় না।

০৮) সেফটি কমিটি গঠন করা হয় নাই।

০৯) কর্মীদের অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করালেও কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স গ্রহণ করেন নাই।

১০) কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর হতে লাইসেন্স গ্রহণ করেন নাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ড. ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

প্রকাশিত : ০৯:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২০

গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন না মানায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আগামী ১২ জানুয়ারি আদেশের জন্য তালিকায় রয়েছে।

ইউনূস ছাড়াও মামলায় আরো দুজনকে বিবাদী করা হয়। তারা হলেন-গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আঃ হাই খাঁন ও উপ মহাব্যবস্থাপক গৌরি শংকর।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি ঢাকা তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম এই মামলা করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ‘বাদী ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর গ্রামীণ কমিউনিকেশনসে সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ১০টি বিধি লঙ্ঘন দেখতে পান। লঙ্ঘনসমুহ সংশোধনের জন্য বাদী কর্তৃক বিবাদী পক্ষের পূর্ব পরিদর্শককে ৩০ এপ্রিল প্রদর্শন করেন। পরে বিবাদীপক্ষ ৭ মে ডাকযোগে এ বিষয়ে জবাব দিলে তা সন্তোষজনক হয়নি।২৮ অক্টোবর বর্তমান পরিদর্শক তা আবারও তা অবহিত করেন। লঙ্ঘনসমুহ বাস্তবায়ন না করে বিবাদীরা আবারও সময়ের আবেদন করেন। সময়ের আবেদন মোতাবেক তারা জবাব দাখিল করেনি। এতে প্রতিয়মান হয় যে বিবাদীরা শ্রম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। উপরোক্ত অবস্থায় বিবাদীগন বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম ( সংশোধন ) আইন, ২০১৩ ধারা ৩৩( ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দন্ডনীয় অপরাধ বলে মনে করেন।’

যে দশটি আইন লঙ্ঘন করেছে ড. ইউনূসের কোম্পানি তা হলো-

০১) বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয় পত্র ও সার্ভিস বহি প্রদান করা হয় নাই।

০২) বিধি মোতাবেক শ্রমিকের কাজের সময়ের নোটিশ পরিদর্শকের নিকট হতে অনুমোদিত নয়।

০৩) কোম্পানিটি বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল করে নাই।

০৪) বছরান্তে কর্মীদের অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন করা হয় না।

০৫) কোম্পানির নিয়োগ বিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়।

০৬) ক্ষতিপূরণমুলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় না।

০৭) কোম্পানির মুনাফার অংশ 5% শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠন সহ লভ্যাংশ বন্টন করা হয় না।

০৮) সেফটি কমিটি গঠন করা হয় নাই।

০৯) কর্মীদের অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করালেও কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স গ্রহণ করেন নাই।

১০) কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর হতে লাইসেন্স গ্রহণ করেন নাই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ