০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৩ জানুয়ারি- হৃদয়বিদারক হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস

  • যাযাবর পলাশ
  • প্রকাশিত : ০৫:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২০
  • 247

১৯৯৫ সালের ১৩ই জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলি রেলষ্টেশনে ঘটেছিল এক হৃদয় বিদারক ট্রেন দূর্ঘটনা। সেদিনের দূর্ঘটনার কথা মনে হলে আজও গা শিউরে ওঠে স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান যে, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারী শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে হিলি রেলষ্টেশনের ১ নং লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ-পার্বতীপুরগামী ৫১১ নং লোকাল ট্রেনটি। কর্তব্যরত ষ্টেশন মাষ্টার ও পয়েন্টম্যানের দায়িত্বহীনতার কারনে ১ নং লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর-খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস। ভুল সংকেতের কারনে মুহুর্তেই দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিকট শব্দে ভারী হয়ে উঠে হিলির আকাশ বাতাস।

দুমড়ে মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ ৩ টি বগী। পরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। বেসরকারী ভাবে নিহতের সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারী ভাবে ঘোষনা করা হয় মাত্র ২৭ জন।

দূর্ঘটনার পরদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছুটে আসেন হিলিতে। আহত ও নিহত পরিবারকে ক্ষতিপুরণের ঘোষণা দেন।

এদিকে স্টেশনে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে দিনটিকে হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস হিসেবে নিহতদের স্মরনে বুকে কালো ব্যাজ ধারন, ট্রেন দূর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গায়ে ব্যানার লাগানো, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১৩ জানুয়ারি- হৃদয়বিদারক হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস

প্রকাশিত : ০৫:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২০

১৯৯৫ সালের ১৩ই জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলি রেলষ্টেশনে ঘটেছিল এক হৃদয় বিদারক ট্রেন দূর্ঘটনা। সেদিনের দূর্ঘটনার কথা মনে হলে আজও গা শিউরে ওঠে স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান যে, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারী শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে হিলি রেলষ্টেশনের ১ নং লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ-পার্বতীপুরগামী ৫১১ নং লোকাল ট্রেনটি। কর্তব্যরত ষ্টেশন মাষ্টার ও পয়েন্টম্যানের দায়িত্বহীনতার কারনে ১ নং লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর-খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস। ভুল সংকেতের কারনে মুহুর্তেই দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিকট শব্দে ভারী হয়ে উঠে হিলির আকাশ বাতাস।

দুমড়ে মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ ৩ টি বগী। পরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। বেসরকারী ভাবে নিহতের সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারী ভাবে ঘোষনা করা হয় মাত্র ২৭ জন।

দূর্ঘটনার পরদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছুটে আসেন হিলিতে। আহত ও নিহত পরিবারকে ক্ষতিপুরণের ঘোষণা দেন।

এদিকে স্টেশনে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে দিনটিকে হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস হিসেবে নিহতদের স্মরনে বুকে কালো ব্যাজ ধারন, ট্রেন দূর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গায়ে ব্যানার লাগানো, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ