০৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

খালেদার দণ্ড স্থগিতের বিষয়ে সরকার বিবেচনা করবে

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন করা হলে সরকার বিবেচনা করবে মনে করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘সাধারণত সাজা স্থগিত করা হয় অনেকদিন সাজা খাটার পর। তবে তারা যদি সাজা স্থগিতের আবেদন জানান তাহলে সরকার সে ব্যাপারে বিবেচনা করবেন।’

গত ৯ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের মামলায় সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি ২ বছর কারাগারে আটক রয়েছেন। তাই আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছাড়াও তিনি একজন বয়স্ক অসুস্থ মহিলা, এ কারণেও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি জামিন প্রাপ্য।’

তিনি দাবি করেছিলেন, ‘পিজি হাসপাতাল হতে মেডিক্যাল বোর্ড তার স্বাস্থ্য সম্বন্ধে যে প্রতিবেদন দিয়েছে তাতে তার বর্তমান অবস্থায় অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় নাই। ক্ষমতাসীন দলের নেত্রীরা নিজেদের চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে বিদেশে যান অথচ তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজ ব্যয়ে তার পছন্দমতো সুচিকিৎসার জন্য সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাই আমরা সরকারের কাছে অবিলম্বে খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তার ইচ্ছামতো চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

খালেদার দণ্ড স্থগিতের বিষয়ে সরকার বিবেচনা করবে

প্রকাশিত : ০৪:১৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২০

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন করা হলে সরকার বিবেচনা করবে মনে করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘সাধারণত সাজা স্থগিত করা হয় অনেকদিন সাজা খাটার পর। তবে তারা যদি সাজা স্থগিতের আবেদন জানান তাহলে সরকার সে ব্যাপারে বিবেচনা করবেন।’

গত ৯ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের মামলায় সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি ২ বছর কারাগারে আটক রয়েছেন। তাই আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছাড়াও তিনি একজন বয়স্ক অসুস্থ মহিলা, এ কারণেও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি জামিন প্রাপ্য।’

তিনি দাবি করেছিলেন, ‘পিজি হাসপাতাল হতে মেডিক্যাল বোর্ড তার স্বাস্থ্য সম্বন্ধে যে প্রতিবেদন দিয়েছে তাতে তার বর্তমান অবস্থায় অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় নাই। ক্ষমতাসীন দলের নেত্রীরা নিজেদের চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে বিদেশে যান অথচ তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজ ব্যয়ে তার পছন্দমতো সুচিকিৎসার জন্য সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাই আমরা সরকারের কাছে অবিলম্বে খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তার ইচ্ছামতো চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ