০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সম্পর্ক উন্নয়নে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি বিনিময়

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় রকমের প্রভাব ফেলেছে। এই দুই দেশের প্রতিযোগিতার ফলে বাজার হয়ে গেছে এলোমেলো। এমন অবস্থাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য পরিবর্তনশীল হবে। অন্যদিকে চীনা কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে উভয়পক্ষের জন্য ‘উইন-উইন’ চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন। তারা মনে করছেন, এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে পরিমাণ আমদানি করেছে চীন তা ২০ হাজার কোটি ডলার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পদবিষয়ক আইন শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে। বিনিময়ে চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক অর্ধেক করে দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো সীমান্তে আয়কর আগের অবস্থায়ই রয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়িক গ্রুপগুলো আরো আলোচনার দাবি তুলেছে। ইউএস চেম্বার অব কমার্সের চায়না সেন্টারের প্রেসিডেন্ট জেরেমি ওয়াটারম্যান বলেছেন, সামনে আরো প্রচুর কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে শুল্ক আরোপের যুদ্ধে ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হবে এমন এক যুদ্ধে লিপ্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এর ফলে ৪৫ হাজার কোটি ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত আমদানি কর দিতে হয়। চলমান এই বিরোধে বাণিজ্যিক প্রবাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর অবসানে এই চুক্তি করা হয়েছে। এর আওতায় ২০ হাজার কোটির যে মার্কিন পণ্য আমদানি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে চীন তার মধ্যে রয়েছে কৃষিজাত, শিল্পজাত, জ্বালানি ও সেবা খাত। কৃষি উৎপাদন আমদানি করবে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের। শিল্পজাত পণ্য আমদানি করবে ৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের। জ্বালানি আমদানি করবে ৫ হাজার ২০০ কোটি ডলারের এবং সেবা খাত থেকে আমদানি করা হবে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের সেবা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন অনিশ্চয়তায় ভোট হবে কি না,আদৌ জানি না-জিএম কাদের

সম্পর্ক উন্নয়নে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি বিনিময়

প্রকাশিত : ০৪:২৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২০

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় রকমের প্রভাব ফেলেছে। এই দুই দেশের প্রতিযোগিতার ফলে বাজার হয়ে গেছে এলোমেলো। এমন অবস্থাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য পরিবর্তনশীল হবে। অন্যদিকে চীনা কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে উভয়পক্ষের জন্য ‘উইন-উইন’ চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন। তারা মনে করছেন, এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে পরিমাণ আমদানি করেছে চীন তা ২০ হাজার কোটি ডলার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। একই সঙ্গে বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পদবিষয়ক আইন শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে। বিনিময়ে চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক অর্ধেক করে দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো সীমান্তে আয়কর আগের অবস্থায়ই রয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়িক গ্রুপগুলো আরো আলোচনার দাবি তুলেছে। ইউএস চেম্বার অব কমার্সের চায়না সেন্টারের প্রেসিডেন্ট জেরেমি ওয়াটারম্যান বলেছেন, সামনে আরো প্রচুর কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে শুল্ক আরোপের যুদ্ধে ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হবে এমন এক যুদ্ধে লিপ্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এর ফলে ৪৫ হাজার কোটি ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত আমদানি কর দিতে হয়। চলমান এই বিরোধে বাণিজ্যিক প্রবাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর অবসানে এই চুক্তি করা হয়েছে। এর আওতায় ২০ হাজার কোটির যে মার্কিন পণ্য আমদানি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে চীন তার মধ্যে রয়েছে কৃষিজাত, শিল্পজাত, জ্বালানি ও সেবা খাত। কৃষি উৎপাদন আমদানি করবে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের। শিল্পজাত পণ্য আমদানি করবে ৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের। জ্বালানি আমদানি করবে ৫ হাজার ২০০ কোটি ডলারের এবং সেবা খাত থেকে আমদানি করা হবে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের সেবা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ