১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

দুর্নীতির মামলায় রবিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ ফানাফিল্লা। অভিযোগপত্র গ্রহণ শুনানির জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে বাঁচতে ডিআইজি মিজান অসৎ উদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন খন্দকার এনামুল বাছিরকে। আর মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে সেই টাকা নেন এনামুল বাছির।

গত বছরের ১৬ জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন সংস্থাটির পরিচালক মোহাম্মদ ফানাফিল্লাহ। মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়। গত ১২ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর বাছির ও ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

প্রকাশিত : ০৩:২১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

পুলিশের সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

দুর্নীতির মামলায় রবিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ ফানাফিল্লা। অভিযোগপত্র গ্রহণ শুনানির জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায় থেকে বাঁচতে ডিআইজি মিজান অসৎ উদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন খন্দকার এনামুল বাছিরকে। আর মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে সেই টাকা নেন এনামুল বাছির।

গত বছরের ১৬ জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন সংস্থাটির পরিচালক মোহাম্মদ ফানাফিল্লাহ। মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করা হয়। গত ১২ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর বাছির ও ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান