০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ভাবি হত্যায় দেওরের ফাঁসি

রাজধানীর পল্লবীতে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ভাবি সায়রা খাতুন আলোকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অপরাধে তার দেওর রাব্বী হোসেন ময়নাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার সকালে রাজধানীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহমান সরদার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সায়রা খাতুন আলো রাজধানীর পল্লবী থানার লোকাল রিলিফ ক্যাম্পে তার স্বামী সোহেলের সঙ্গে থাকতেন।

২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সোহেলের ভাই রাব্বী প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আলোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনায় আলোর ভাই শাহজালাল বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মনা নিজে পল্লবী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন। এরপর তিনি আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।

২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল বাতেন আসামি মনাকে একমাত্র আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ১৫ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময় সাত জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ভাবি হত্যায় দেওরের ফাঁসি

প্রকাশিত : ১২:৩৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭

রাজধানীর পল্লবীতে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ভাবি সায়রা খাতুন আলোকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অপরাধে তার দেওর রাব্বী হোসেন ময়নাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার সকালে রাজধানীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহমান সরদার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সায়রা খাতুন আলো রাজধানীর পল্লবী থানার লোকাল রিলিফ ক্যাম্পে তার স্বামী সোহেলের সঙ্গে থাকতেন।

২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সোহেলের ভাই রাব্বী প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আলোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ ঘটনায় আলোর ভাই শাহজালাল বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মনা নিজে পল্লবী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেন। এরপর তিনি আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।

২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল বাতেন আসামি মনাকে একমাত্র আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ১৫ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময় সাত জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।