০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা- কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে বালু আগ্রাসন : চরম ভোগান্তি

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার প্রবেশপথ হলো গাজীপুর- কাপাসিয়া। মহাসড়কের কাপাসিয়া বাসস্ট্যান্ড তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিযুদ্ধ চত্ত্বর পার হলেই ভোগান্তি শুরু।

সড়কের দক্ষিণ পাশ দখল করে অবৈধ ভাবে বালু রেখে দোকান নির্মাণ কাজ করছে স্থানীয় ওয়াজ উদ্দিন।

বালু রেখে সড়ক দখল করে রাখায় আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি লোকজনের যাতায়াতেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। প্রকাশ্যে এমন বেআইনি কাজ করলেও কোন প্রতিকার মিলছে না।

পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় দিনের পর দিন বালুখেকোদের অনিয়ম বেড়েই চলেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশে দাড় করিয়ে বালু লোড-আনলোড করা হয়। এতে করে যানজট লেগে থাকে সব সময়। একদিকে বালির স্তুপ অন্যদিকে মহাসড়কের পাশে ট্রাক দাড় করিয়ে বালু লোড-আনলোড করার কারণে মহাসড়কটি দিয়ে বড় গাড়ি চলাচল করতে পারে না। ফলে ঘটতে দুর্ঘটনা।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহাসড়ক দিয়ে বালু বোঝাই ট্রাক ট্রাক্টর চলাচল নিষেধ থাকলেও মহাসড়কের পাশে বালু রেখে করে নির্মাণ কাজ করছে। অথচ হাইওয়ে পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, মহাসড়কের ওপর পড়ে থাকা বালুর যানবাহনের আগ্রাসনের কারণে বিশেষ করে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালকরা। দুইপাশ থেকে দুটি বাস বা ট্রাক আসলে তাদের মোটরসাইকেল বা সাইকেল রাস্তার নিচে নামিয়ে দিতে হচ্ছে। বালুর মধ্যে চালাতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মহা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় এরকম কোন কাজ করা যাবে না আমরা বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকাবিহীন শিশু

ঢাকা- কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে বালু আগ্রাসন : চরম ভোগান্তি

প্রকাশিত : ০৫:১৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার প্রবেশপথ হলো গাজীপুর- কাপাসিয়া। মহাসড়কের কাপাসিয়া বাসস্ট্যান্ড তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিযুদ্ধ চত্ত্বর পার হলেই ভোগান্তি শুরু।

সড়কের দক্ষিণ পাশ দখল করে অবৈধ ভাবে বালু রেখে দোকান নির্মাণ কাজ করছে স্থানীয় ওয়াজ উদ্দিন।

বালু রেখে সড়ক দখল করে রাখায় আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি লোকজনের যাতায়াতেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। প্রকাশ্যে এমন বেআইনি কাজ করলেও কোন প্রতিকার মিলছে না।

পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় দিনের পর দিন বালুখেকোদের অনিয়ম বেড়েই চলেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশে দাড় করিয়ে বালু লোড-আনলোড করা হয়। এতে করে যানজট লেগে থাকে সব সময়। একদিকে বালির স্তুপ অন্যদিকে মহাসড়কের পাশে ট্রাক দাড় করিয়ে বালু লোড-আনলোড করার কারণে মহাসড়কটি দিয়ে বড় গাড়ি চলাচল করতে পারে না। ফলে ঘটতে দুর্ঘটনা।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহাসড়ক দিয়ে বালু বোঝাই ট্রাক ট্রাক্টর চলাচল নিষেধ থাকলেও মহাসড়কের পাশে বালু রেখে করে নির্মাণ কাজ করছে। অথচ হাইওয়ে পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, মহাসড়কের ওপর পড়ে থাকা বালুর যানবাহনের আগ্রাসনের কারণে বিশেষ করে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালকরা। দুইপাশ থেকে দুটি বাস বা ট্রাক আসলে তাদের মোটরসাইকেল বা সাইকেল রাস্তার নিচে নামিয়ে দিতে হচ্ছে। বালুর মধ্যে চালাতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মহা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় এরকম কোন কাজ করা যাবে না আমরা বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ