করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সারাবিশ্ব আতঙ্কিত , সেই করোনা ভাইরাসের শঙ্কাকে পেছনে ফেলে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ ।
আজ সকাল ৯টার দিকে মুন্সীগজ্ঞের মাওয়া কুমারভোগ কনষ্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৩তম স্প্যানটিকে ‘ তিয়ান ই ‘ ভাসমান ক্রেন শরিয়তপুরের জাজিরায় নিয়ে যায় ।
সকাল ১০টা৩০মিনিটে স্প্যানটি শরিয়তপুরের জাজিরা প্রান্তর ৩১ ও ৩২ নাম্বার পিলারের কাছে অবস্থান করে ।
প্রকৌশল সূত্রে জানা গেছে, স্প্যান বসানোর জন্য আগে থেকেই আনুষঙ্গিক কাজসমূহ সফলভাবে সম্পন্ন করা হবে। বর্তমানে স্প্যানটিকে পজিশনিং করে নির্ধারিত পিলারের কাছে নোঙর করার চেষ্টা চলছে। ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে এরপর তোলা হবে পিলারের উচ্চতায়, রাখা হবে দুই পিলারের বেয়ারিংয়ের উপর।
বাঙ্গালীর স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে প্রথম স্প্যানটি ‘ ৭-এ ‘ ৩৭ ও ৩৮ নং পিলারে বসে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর , এরপর একের পর এক স্প্যান উঠে মুল সেতুতে সর্বশেষ চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারিতে মুন্সীগজ্ঞের মাওয়া প্রান্তে ৫ ও ৬ নং পিলারের উপর বসানো হয়েছে ২২ তম স্প্যান , এখন ২৩ নং স্প্যানটি বসানো হলে দৃশ্যমান হবে পদ্মা সেতুর অর্ধেকের বেশী ৩ হাজার ৪৫০ মিটার ।
পুরো সেতুতে ২ হাজার ৯৩১টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। আর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে ২ হাজার ৯৫৯টি। পদ্মা সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
পদ্মা সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ শেষ হয়েছে ৩৭টি পিলারের। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান




















