১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

বাড়িতে বাবার লাশ, কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষা দিল নাদিয়া

সারা দেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে। সব শিক্ষার্থীরাই মা-বাবার দোয়া নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যায়। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার বাড়িতে বাবার লাশ রেখে চোখে পানি নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে নাদিয়া সুলতানা।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বাড়িতে বাবার লাশ রেখে নাদিয়া সুলতানা আজকের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এক হাতে চোখের জল মুছে আর অন্য হাতে কলম চালিয়ে পরীক্ষা দেয় নাদিয়া। এই খবর শোনে সহপাঠী, শিক্ষক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সোহেল রানা পরীক্ষার হলে ছুটে যান। সান্ত্বনা দেন নাদিয়েকে।

উপজেলার কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে। রংছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. শাহজাহানের উদ্যোগে ও ওই ছাত্রীর মামা আব্দুল মতিনের সহযোগিতায় পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জানা যায়, নাদিয়ার বাবা প্রবাসী মো. আব্দুল কাদির উপজেলার রংছাতি ইউনিয়ন চৈতা গ্রামের মৃত মো. মতিউর রহমানের ছেলে। গত বুধবার রাতে নিজ বাড়িতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ওই রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান কাদির। ওই প্রবাসী এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং স্ত্রী রেহেনাকে রেখে গেছেন। মেয়ে নাদিয়া এই বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১৬ মার্চ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাড়িতে বাবার লাশ, কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষা দিল নাদিয়া

প্রকাশিত : ০৭:১২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সারা দেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে। সব শিক্ষার্থীরাই মা-বাবার দোয়া নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যায়। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার বাড়িতে বাবার লাশ রেখে চোখে পানি নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে নাদিয়া সুলতানা।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বাড়িতে বাবার লাশ রেখে নাদিয়া সুলতানা আজকের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এক হাতে চোখের জল মুছে আর অন্য হাতে কলম চালিয়ে পরীক্ষা দেয় নাদিয়া। এই খবর শোনে সহপাঠী, শিক্ষক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সোহেল রানা পরীক্ষার হলে ছুটে যান। সান্ত্বনা দেন নাদিয়েকে।

উপজেলার কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে। রংছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. শাহজাহানের উদ্যোগে ও ওই ছাত্রীর মামা আব্দুল মতিনের সহযোগিতায় পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জানা যায়, নাদিয়ার বাবা প্রবাসী মো. আব্দুল কাদির উপজেলার রংছাতি ইউনিয়ন চৈতা গ্রামের মৃত মো. মতিউর রহমানের ছেলে। গত বুধবার রাতে নিজ বাড়িতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ওই রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান কাদির। ওই প্রবাসী এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং স্ত্রী রেহেনাকে রেখে গেছেন। মেয়ে নাদিয়া এই বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ