ঝিনাইদহ শহরে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে মুন্নি আক্তার পিংকি (২৬) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আটক পিংকির স্বামী সোহরাব হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিংকির মৃত্যু হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের হাটখোলা এলাকায় তার শরীরে আগুন দেয় স্বামী সোহরাব হোসেন।
নিহতের স্বজনরা জানায়, গত ৪ মাস আগে পিংকির সঙ্গে আব্দুর সাত্তারের ছেলে সোহরাব হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবিসহ নানা কারণে তার ওপর নির্যাতন করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পিংকির বাড়িতে এসে সোহরাব তার কাছে টাকা দাবি করে। পিংকি টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার স্বামী সোহরাব তাকে মারপিট করে এবং তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়, এতে সে দগ্ধ হয়।
পরিবারের লোকজন পিংকিকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার শরীরের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত পিংকি ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলেও স্বজনরা জানান।
ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নিহতের মা কাজল বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করে। এ ঘটনায় পুলিশ তার নিহতের স্বামী সোহরাবকে ওই দিনই আটক করে। পিংকির মৃত্যুর পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















