১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

৭ মার্চের ভাষণের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা। তিনি বলেছিলেন— এ দেশের মানুষের মন তুমি বোঝ, তোমার মনে যা আসবে তুমি তাই বলবে।’

শনিবার (৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ভবিষ্যত বলে দিতে পারতেন। কিন্তু জনসম্মুখে বলতেন না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়া-এরশাদ-খালেদা সবাই ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর জন্য বাধা দিয়েছে। তারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছিল আর ইউনেস্কো সেটাকে সেরা ভাষণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল বারবার ইতিহাস বিকৃতি করেছে। স্বাধীনতার ঘোষক যাকে সাজানো হয়েছে, সে সরকারের চারশ টাকা বেতনের কর্মচারী ছিল। কোথাকার কোন মেজর এসে বাঁশিতে ফু দিল আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেল, এটা কি কখনও সম্ভব?’

এই বাংলার মাটিতে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে সকল গৃহহীন মানুষকে আমরা ঘর করে দেব।’

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ সময়কে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি। তিনি যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাঙালি জাতির জন্য যে উন্নত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তার সেই স্বপ্নকে আজ আমরা বাস্তবে রূপ দিচ্ছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় দুই শিশুসহ ‘গর্ভবতী’ মা নিহত

৭ মার্চের ভাষণের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৬:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা। তিনি বলেছিলেন— এ দেশের মানুষের মন তুমি বোঝ, তোমার মনে যা আসবে তুমি তাই বলবে।’

শনিবার (৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ভবিষ্যত বলে দিতে পারতেন। কিন্তু জনসম্মুখে বলতেন না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়া-এরশাদ-খালেদা সবাই ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর জন্য বাধা দিয়েছে। তারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছিল আর ইউনেস্কো সেটাকে সেরা ভাষণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল বারবার ইতিহাস বিকৃতি করেছে। স্বাধীনতার ঘোষক যাকে সাজানো হয়েছে, সে সরকারের চারশ টাকা বেতনের কর্মচারী ছিল। কোথাকার কোন মেজর এসে বাঁশিতে ফু দিল আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেল, এটা কি কখনও সম্ভব?’

এই বাংলার মাটিতে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে সকল গৃহহীন মানুষকে আমরা ঘর করে দেব।’

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ সময়কে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি। তিনি যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাঙালি জাতির জন্য যে উন্নত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তার সেই স্বপ্নকে আজ আমরা বাস্তবে রূপ দিচ্ছি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ