বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পরেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এ ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরিমধ্যে বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার আর আক্রান্ত প্রায় ৪ লাখ মানুষ।
স্থানীয় সময় সোমবার ( ২৩ মার্চ) ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসাস বলেছেন, করোনা মহামারি প্রকট আকার ধারণ করছে। তবে এখনো এর গতি রোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
টেডরস আধানম বলেন, বৈশ্বিক এই মহামারি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ডিসেম্বেরের শেষে চীনে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর এক লাখ মানুষকে আক্রান্ত করতে এটি সময় নিয়েছিল ৬৭ দিন। কিন্তু পরের ১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে ১১ দিনে। আর সংখ্যাটা ৩ লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ দিন।
তিনি বলেন, জিততে হলে, আমাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কৌশল গ্রহণ করে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে আরো ভয়াবহ আক্রমণাত্মক পথে হাঁটতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক পুনরায়, সন্দেহজনক প্রত্যেককে পরীক্ষা করানো, আইসোলেট করাসহ আক্রান্ত সবার সেবা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন। এছাড়া আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের কোয়ারেন্টাইন করার আহ্বানও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা এবং উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই ওষুধ আক্রান্তদের দেওয়া হলে তা মানুষের মধ্যে মিথ্যা আশার সঞ্চার করবে। এর মাধ্যমে ভালোর চেয়ে বরং খারাপই হবে বেশি।’এছাড়া বিশ্বজুড়ে অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত্যুর খবরটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























