০৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করোনায় দীপ প্রজ্বালন কর্মসূচি ঘোষণা মোদির

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে দীপ প্রজ্বালন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিও বার্তায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

এই সময় জানায়, আগামী ৫ এপ্রিল রবিবার রাত ৯টায় বাড়ির আলো নিভিয়ে ৯ মিনিট মোমবাতি, টর্চলাইট অথবা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

মোদি বলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন।

মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান। ’

মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিসট্যানসিং তথা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরোনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিসট্যানসিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই অনুষ্ঠান চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন। ’

লকডাউনে ধৈর্যের নজির স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, ‘লকডাউনে আমরা একা নেই।

দেশের ১৩০ কোটি জনগণের মিলিত শক্তি সেখানে রয়েছে। কখনোই অকারণে আমরা রাস্তায় বেরবো না।
এর আগে ২২ মার্চ জনতা কারফিউয়ের ডাক দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। লকডাউন ঘোষণার আগে সেদিন গোটা দেশ বাড়িতে থেকে জনতা কারফিউ পালন করেছিল। এরপরই করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেন মোদি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

করোনায় দীপ প্রজ্বালন কর্মসূচি ঘোষণা মোদির

প্রকাশিত : ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে দীপ প্রজ্বালন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিও বার্তায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

এই সময় জানায়, আগামী ৫ এপ্রিল রবিবার রাত ৯টায় বাড়ির আলো নিভিয়ে ৯ মিনিট মোমবাতি, টর্চলাইট অথবা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

মোদি বলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন।

মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান। ’

মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিসট্যানসিং তথা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরোনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিসট্যানসিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই অনুষ্ঠান চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন। ’

লকডাউনে ধৈর্যের নজির স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, ‘লকডাউনে আমরা একা নেই।

দেশের ১৩০ কোটি জনগণের মিলিত শক্তি সেখানে রয়েছে। কখনোই অকারণে আমরা রাস্তায় বেরবো না।
এর আগে ২২ মার্চ জনতা কারফিউয়ের ডাক দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। লকডাউন ঘোষণার আগে সেদিন গোটা দেশ বাড়িতে থেকে জনতা কারফিউ পালন করেছিল। এরপরই করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেন মোদি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ মেহেদী