করোনাভাইরাসসহ অন্যান্য সংকট মোকাবেলায় মার্কিন সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছে দেশটির বিভিন্ন ম্যাগাজিন।
আটলান্টিক ম্যাগাজিনও তার ইন্টারনেট সংস্করণে লিখেছে: করোনাভাইরাস সংকট এবং তার বিস্তারের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়ী।
ফরেন পলিসি লিখেছে: করোনা মহামারি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো কতোটা ভঙ্গুর। আর করোনার বিস্তার প্রমাণ করেছে মার্কিন সুরক্ষা কাঠামোর ভেতরটা ফাঁকা।
ফরেন পলিসি আরও লিখেছে: আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি সিস্টেম করোনাভাইরাসের মতো একবিংশ শতাব্দির একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না। আমলাতান্ত্রিক বিভ্রান্তি ও মিথ্যাচারের কারণে আমেরিকার অঙ্গরাজ্যগুলো জনগণের বিপদে যথাযথ সাড়া দিতে পারে নি। আমেরিকার জনগণের মানসিক অবস্থা তাই হতাশাপূর্ণ ও পতনোন্মুখ।
পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে আমেরিকার ৪ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার মানুষ মারা গেছে। বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ আতঙ্ক তৈরি করেছে করোনাভাইরাস। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রাণহানি আর আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনার হানায় বিপর্যস্ত বিশ্ব। শক্তিশালী দেশগুলোও এর সঙ্গে পেরে উঠছে না।
এখন পর্যন্ত ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৩।
অপরদিকে প্রাণঘাতী করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮৮ হাজার ৪৫৭ জনের। তবে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৭ জন। করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে এবং সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে।
যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩১ হাজার ৯৩৫ জন। ফলে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯২৭। অপরদিকে দেশটিতে নতুন করে ১ হাজার ৯৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দেশটিতে ২২ হাজার ৮৯১ জন ইতোমধ্যেই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। তবে ৯ হাজার ২৭৯ জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























