১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আ’লীগ নেতা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না

জ্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাওয়া টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম খান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না। তার মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো। পরীক্ষার ফলাফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলীম আল রাজী শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য জাহাঙ্গীর আলম খান (৫৫) গত সোমবার জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ করোনা ভাইরাসের নানা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। পরে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম তার নমুনা সংগ্রহ করেন। তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় গোপালপুরের মাকুল্লা গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে বাড়ি লকডাউন করা হয়।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলে এ পর্যন্ত মোট ১৮৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ জনের পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে শুধু মির্জাপুর উপজেলার একজনের করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি ৯৫ জনের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। মির্জাপুরে করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি নারায়গঞ্জের একটি ক্লিনিকে চাকরী করতেন। বাড়িতে আসার পর অসুস্থ্য হলে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার পর তাকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আ’লীগ নেতা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না

প্রকাশিত : ০৫:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

জ্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাওয়া টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম খান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না। তার মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো। পরীক্ষার ফলাফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলীম আল রাজী শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য জাহাঙ্গীর আলম খান (৫৫) গত সোমবার জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ করোনা ভাইরাসের নানা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। পরে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম তার নমুনা সংগ্রহ করেন। তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় গোপালপুরের মাকুল্লা গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে বাড়ি লকডাউন করা হয়।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলে এ পর্যন্ত মোট ১৮৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ জনের পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে শুধু মির্জাপুর উপজেলার একজনের করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি ৯৫ জনের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। মির্জাপুরে করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি নারায়গঞ্জের একটি ক্লিনিকে চাকরী করতেন। বাড়িতে আসার পর অসুস্থ্য হলে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসার পর তাকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান