সৈয়দপুরগামী ইউএস-বাংলার ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল। ফ্লাইট ছাড়তে দেরি হওয়ায় দীর্ঘসময় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের (অভ্যন্তরীণ) ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষারত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা দেরিতে সকাল ১১টায় ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়।
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ফ্লাইটে প্রথমে উঠে আসন গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল। কিছুসময় পর এরশাদ ফ্লাইটে ওঠেন। এসময় এরশাদকে দেখে মির্জা ফখরুল সিট থেকে দাঁড়িয়ে সালাম দেন। সালামের জবাব দিয়ে এরশাদও হাত বাড়িয়ে করমর্দন করেন এবং কুশলাদি বিনিময়ের পর নিজের আসনে বসে পড়েন। এরশাদের ঠিক পেছনের আসনে ছিলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বিমানে এরশাদ ও ফখরুলের মধ্যে করমর্দন এবং কুশল বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শায়রুল বলেন, ‘কাছাকাছি সিট পড়াতে মির্জা ফখরুল জাপা’র চেয়ারম্যান এরশাদের কাছে যান। তিনি সালাম দেন। কেমন আছেন জানতে চান। এরশাদও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাদের মধ্যে দীর্ঘ কোনও কথা হয়নি।’
রসিক নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে ফখরুল রংপুর গেলেও দৃশ্যত এরশাদ গেছেন ব্যক্তিগত কাজে। যদিও এরই মধ্যে জাপার সিনিয়র নেতারা রংপুরেই অবস্থান করছেন বলে জানান জাপার কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
রংপুর প্রতিনিধি জানান, রংপুর পৌঁছেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল ১১ টায় ই্উএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে দুজন ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়ে সৈয়দপুর হয়ে একটার দিকে রংপুর পৌঁছান।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রংপুরে পৌঁছেই মির্জা ফখরুল শহরের সিও বাজার এলাকা থেকে নিজ দলের প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার পক্ষে প্রচারণা শুরু করেন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সারাদিন শহরের একাধিক পথসভায় তার বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।
অপরদিকে, এরশাদ রংপুরে পৌঁছে সরাসরি নিজের বাসায় উঠেছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন পুত্র এরিখ এরশাদ। নির্বাচনি বিধিনিষেধের কারণে প্রচারণায় তার অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। জাপা নেতারা জানিয়েছেন, ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এরশাদ রংপুর অবস্থান করবেন। এই সফরে তার রাজনৈতিক কোনও কর্মসূচি নেই। তিনি ভোট দিতেই রংপুর এসেছেন।
























