০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মমতাময়ীর এক অনন্য দৃষ্টান্ত শাফিয়া আক্তার (শিমু), বন্য জন্তুর মুখে আহার

চলমান করোনা ভাইরাস (Coved – 19 ) পৃথিবীজুড়ে বিস্তার লাভ  করায় অর্থনৈতিক মন্দা থেকে শুরু করে  খাদ্যাভাবে ভুগছে সমগ্র জাতি। এর কড়াল গ্রাস থেকে রেহায় পায়নি বন্য পশুরাও । এই ভয়াল পরিস্থিতিতে মানুষ যেমন  কষ্টে আছে ঠিক একইভাবে কষ্টে আছে প্রাণীকুল।
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা রামপুরে যুগ যুগ ধরে প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে উঠা বানর বাস উপযোগী এক অভয়ারণ্য। সেখানে অসংখ্য বানরের বসবাস সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত এক গাছ থেকে অপর গাছে লাফালাফি করে সারাদিন ঘুড়ে বেড়ায়, পাশের বাজার ও বাড়ির আঙ্গিনা থেকে আহার যোগাত। অত্র অঞ্চলের লোকজনও সানন্দে বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক জন্তু গুলোকে আপন মনে সাথে নিয়েই বসবাস করতো। মনে হয় এদের সাথে যেনো এক সৌহার্দপূর্ণ বন্ধন। কিন্তু গত এক মাস ধরে যেনো তাদের উপর পড়েছে এক কালো থাবা। এই দীর্ঘ লকডাউনের ফলে বাজারের দোকান পাঠ বন্ধ থাকায় মানব জীবনের পাশাপাশি দূর্বিষহ হয়ে উঠেছে বানরের জীবন চক্র ।
কোভিড -১৯ এর সচেতনতার অংশ হিসাবে নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর নির্দেশনায় মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাফিয়া আক্তার (শিমু) দিন রাত পরিশ্রম করে নিজ হাতে গরিব, অসহায় মানুষের ঘড়ে ঘড়ে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী।
এরই ধারাবাহিকতায়  বানরের জীবন যাপনে করোনার এই কড়াল গ্রাস উনার মানবিক হৃদয়ে নাড়া দেয় ।
গত বৃহস্পতিবার নিজ উদ্যোগে আহার সামগ্রী নিয়ে হাজির হোন বানরের রাজ্যে, নিজের হাতে ক্ষুধার্ত  বানরের মুখে আহার দিতে পেরে নিজেকে দায়মুক্ত মনে করছেন তিনি, শুধু তাই নয় এসময় ক্ষিদিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জামিল এর মাধ্যমে নিয়মিত যেনো আহার পায় সেই ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা হয়  । পাশাপাশি রামপুর আবাসনের  খোঁজ-খবর নিয়ে আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রতিটি পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত নগদ অর্থ প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাফিয়া আক্তার (শিমু) জানান,করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে শ্রমজীবী মানুষ যেমন খাদ্যাভাবে পড়েছে ঠিক তেমনি বন্য প্রাণীগুলোর মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট । এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি প্রাণী হিসাবে এদের প্রতি নজর দেয়া আমাদের মানবিক দায়িত্ব ।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মমতাময়ীর এক অনন্য দৃষ্টান্ত শাফিয়া আক্তার (শিমু), বন্য জন্তুর মুখে আহার

প্রকাশিত : ১০:৩৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০
চলমান করোনা ভাইরাস (Coved – 19 ) পৃথিবীজুড়ে বিস্তার লাভ  করায় অর্থনৈতিক মন্দা থেকে শুরু করে  খাদ্যাভাবে ভুগছে সমগ্র জাতি। এর কড়াল গ্রাস থেকে রেহায় পায়নি বন্য পশুরাও । এই ভয়াল পরিস্থিতিতে মানুষ যেমন  কষ্টে আছে ঠিক একইভাবে কষ্টে আছে প্রাণীকুল।
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা রামপুরে যুগ যুগ ধরে প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে উঠা বানর বাস উপযোগী এক অভয়ারণ্য। সেখানে অসংখ্য বানরের বসবাস সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত এক গাছ থেকে অপর গাছে লাফালাফি করে সারাদিন ঘুড়ে বেড়ায়, পাশের বাজার ও বাড়ির আঙ্গিনা থেকে আহার যোগাত। অত্র অঞ্চলের লোকজনও সানন্দে বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক জন্তু গুলোকে আপন মনে সাথে নিয়েই বসবাস করতো। মনে হয় এদের সাথে যেনো এক সৌহার্দপূর্ণ বন্ধন। কিন্তু গত এক মাস ধরে যেনো তাদের উপর পড়েছে এক কালো থাবা। এই দীর্ঘ লকডাউনের ফলে বাজারের দোকান পাঠ বন্ধ থাকায় মানব জীবনের পাশাপাশি দূর্বিষহ হয়ে উঠেছে বানরের জীবন চক্র ।
কোভিড -১৯ এর সচেতনতার অংশ হিসাবে নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর নির্দেশনায় মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাফিয়া আক্তার (শিমু) দিন রাত পরিশ্রম করে নিজ হাতে গরিব, অসহায় মানুষের ঘড়ে ঘড়ে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী।
এরই ধারাবাহিকতায়  বানরের জীবন যাপনে করোনার এই কড়াল গ্রাস উনার মানবিক হৃদয়ে নাড়া দেয় ।
গত বৃহস্পতিবার নিজ উদ্যোগে আহার সামগ্রী নিয়ে হাজির হোন বানরের রাজ্যে, নিজের হাতে ক্ষুধার্ত  বানরের মুখে আহার দিতে পেরে নিজেকে দায়মুক্ত মনে করছেন তিনি, শুধু তাই নয় এসময় ক্ষিদিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জামিল এর মাধ্যমে নিয়মিত যেনো আহার পায় সেই ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা হয়  । পাশাপাশি রামপুর আবাসনের  খোঁজ-খবর নিয়ে আবাসন আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রতিটি পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত নগদ অর্থ প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাফিয়া আক্তার (শিমু) জানান,করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে শ্রমজীবী মানুষ যেমন খাদ্যাভাবে পড়েছে ঠিক তেমনি বন্য প্রাণীগুলোর মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট । এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি প্রাণী হিসাবে এদের প্রতি নজর দেয়া আমাদের মানবিক দায়িত্ব ।