একদিকে মাহে রমজান অন্যদিকে করোনয় বৈশ্বিক মহামারি সত্ত্বেও বাজারে ব্যপক চাহিদা থাকা আদা ও রসুনের কন্টেইনার ডেলিভারী নিচ্ছেনা ব্যবসায়ীরা ফলে দিন দিন অস্থির হয়ে উঠছে বাজার পরিস্থিতি। এবং কন্টেইনার জট সমস্যায় ভুগছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। সার্বিক দিক বিবেচনায় বন্দরে পড়ে থাকা এসব আদা,পেঁয়াজ ও রসুন নিলামে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ আর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কাস্টম হাউসকে চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চিঠিতে বলা হয়েছে জাহাজ থেকে আদা, রসুন, পেঁয়াজের কনটেইনার নামার পর ৩০ দিনের বেশি হয়েছে তবু ভেলিভারী হয়নি এমন পণ্য নিলামে তোলার জন্য । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান প্রাথমিকভাবে ১ কনটেইনার আদা, ২ কনটেইনার রসুন, ৯ কনটেইনার পেঁয়াজ নিলামে তোলার জন্য কাস্টম হাউসকে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমদানিকারক বন্দর থেকে পণ্য চালান খালাস না নিলে কাস্টম হাউস ওই চালান নিলামে তোলে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে পচনশীল পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ফল আমদানি হয়। বন্দরে এ ধরনের কনটেইনার নামার পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখতে হয়। মাসের পর মাস যদি ডেলিভারি না হয় তাহলে বন্দরের বিদ্যুৎ অপচয় হয়, পণ্যও পচে যায়, শিপিং এজেন্টের কনটেইনারও আটকে থাকে। নানা ভাবে তাগিদ দেওয়ার পরও কিছু আমদানিকারক বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কনটেইনার ডেলিভারি নেননি৷ সেগুলো নিলামে তুলতে কাস্টম হাউসকে চিঠি দেওয়া হয়েছে । মঙ্গলবার সকাল আটটায় বন্দরে ৪৯ হাজার ১৮ টিইইউ’স ধারণক্ষমতার বিপরীতে কনটেইনার রয়েছে ৪৭ হাজার ৪০৩টি। এর মধ্যে নিলামযোগ্য কনটেইনার রয়েছে ৭ হাজার ১৮২টি। বছরের পর বছর ডেলিভারি না নেওয়ায় এসব কনটেইনার জমেছে।
কাস্টম হাউসের উপ কমিশনার (নিলাম) মো. ফরিদ আল মামুন জানান , সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সপ্তাহখানেকের মধ্যে নিলাম করা হবে। উল্লেখ্য বন্দরের জেটিতে ৯টি কনটেইনার জাহাজে হ্যান্ডলিং হচ্ছে। বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ আছে ২৯টি কনটেইনার জাহাজ। সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেলিভারি হয়েছে ২ হাজার ৭৫৩টি কনটেইনার।
বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক













