ডেমরার পাইটিতে জোরপূর্বক শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে ও চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে মহামারী করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় পোশাক শ্রমিকরা শনিবার সকালে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে।এদিন এই কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ ও টায়ারে আগুন জালিয়ে বিক্ষোভ করেছে।
পুলিশ, আন্দোলনরত শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানান,পাইটির অাইরিন নিটওয়ার লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার ছাটাইকৃত শ্রমিকদের চাকরিতে পূর্নবহালের জন্য গত বৃহস্পতিবার কারখানার সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে শ্রমিকরা ফিরে যায়।শ্রমিকদের অভিযোগ গত পাঁচ-ছয় দিনে অন্তত শতাধিক শ্রমিককে ছাটাই ও জোরপূর্বক পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করতে বলে কারখানার মালিক পক্ষের লোকজন। এতে শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
শ্রমিকদের অভিযোগ, মালিক পক্ষের লোক শ্রমিকদের গেটে ঢোকার সাথে মারধর করেন, তাদের বলেন তোদের চাকরি নাই, তোরা চলে যা,নারী শ্রমিকদের চুলের মুঠি ধরে টানাহেঁচড়া। রিপোর্ট লেখা পযন্ত দুইজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ে।
শ্রমিকরা অারো ও অভিযোগ করেন তাদের বেতন এক থেকে দুই হাজার কমিয়ে দেয়া হয়েছে । সকালে বাহিরের লোক এনে তাদের গেট অাটকিয়ে দেয়।
গত দুইদিনে ছাটাইকৃত শ্রমিকদের বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় শনিবার (৯ মে)একপর্যায়ে সকালে শ্রমিকরা ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে এবং ছাঁটাইকৃতদের কাজে পুনর্বহালের দাবীতে বিক্ষোভ শুরু করে এবং কারখানার গেইটে অবস্থান নেয়।
এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের একটি অংশ কারখানা থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে বিক্ষোভ করতে থাকে। তারা মহাসড়কের উপর টায়ার ও কাঠে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দীর্ঘ চেষ্টার পর অবরোধকারীদের মহাসড়কের উপর থেকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ অানতে পারে নি।
জিএম ওয়ালী উল্লাহ এ বিষয়ে বলেন,শ্রমিকদের সকল পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ করা হয়েছে। তারা অহেতুক অান্দোলন করছে।
ডেমরা থানার তদন্ত অফিসার জনাব রফিকুল ইসলাম বলেন,অাইরিন কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ এবং সড়ক অবরোধ করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের সাথে মালিক পক্ষের বৈঠক চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ




















