০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ভূয়া ডাক্তারের কারাদন্ড!

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালে কুষ্টিয়া জেলাসহ মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী থেকে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। করোনা ভাইরাস এর ফলে এই হাসপাতালটি অনেকটাই রোগী শূন্য হয়ে পরে।
অধিকাংশ রোগীরা এখন ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে। তাদের মধ্যে ভয় করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এই হাসপাতালে। আবার কারো কারো অভিযোগ অধিকাংশ সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না। হাসপাতালের গেটের সামনে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালরা মাঝে মধ্যে সরকারি হাসপাতাল তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে নেয়। আবার মাঝে মাঝে দেখা যায় ওই দালালরা নিজেরাই হাসপাতালের চিকিৎসক বনে যান।
আজ রবিবার ( ১০ মে) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল সাগর হোসেন (২৫) ইমারজেন্সিতে ডাক্তার সেজে রোগী দেখছেন। এই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে হাসপাতাল চত্বরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ভূয়া ডাক্তার সাগর হোসেনকে গ্রেফতার করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসাহাক আলী।
ভূয়া ডাক্তার সাগর হোসেনকে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪৪ ধারা মোতাবেক এই সাজা প্রদান করেন।
সাগর হোসেন কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের জামিল ইসলামের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ঐ ভূয়া চিকিৎসক সুরক্ষা পোশাক পরিধান করে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগী দেখছিলেন। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আগতদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রেসক্রিপশনে লিখে তার পছন্দমত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রেরণ করেছিলেন। দন্ডপ্রাপ্ত ঐ ভূয়া চিকিৎসককে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা গণ।
উল্লেখ্য, এর আগেও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বহিরাগত একজন ডাক্তার সেজে বহির্বিভাগে রোগী দেখার সংবাদটি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হয়।
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি হাসপাতালের পরিচালকের নজর এড়িয়ে এই হাসপাতালটি এভাবেই চলছে?

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

ট্যাগ :

টানা ৮ মাস কমার পর এপ্রিলে বেড়েছে রপ্তানি আয়

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ভূয়া ডাক্তারের কারাদন্ড!

প্রকাশিত : ০৪:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালে কুষ্টিয়া জেলাসহ মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী থেকে রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। করোনা ভাইরাস এর ফলে এই হাসপাতালটি অনেকটাই রোগী শূন্য হয়ে পরে।
অধিকাংশ রোগীরা এখন ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে। তাদের মধ্যে ভয় করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এই হাসপাতালে। আবার কারো কারো অভিযোগ অধিকাংশ সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না। হাসপাতালের গেটের সামনে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালরা মাঝে মধ্যে সরকারি হাসপাতাল তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে নেয়। আবার মাঝে মাঝে দেখা যায় ওই দালালরা নিজেরাই হাসপাতালের চিকিৎসক বনে যান।
আজ রবিবার ( ১০ মে) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল সাগর হোসেন (২৫) ইমারজেন্সিতে ডাক্তার সেজে রোগী দেখছেন। এই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে হাসপাতাল চত্বরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ভূয়া ডাক্তার সাগর হোসেনকে গ্রেফতার করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসাহাক আলী।
ভূয়া ডাক্তার সাগর হোসেনকে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪৪ ধারা মোতাবেক এই সাজা প্রদান করেন।
সাগর হোসেন কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের জামিল ইসলামের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ঐ ভূয়া চিকিৎসক সুরক্ষা পোশাক পরিধান করে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগী দেখছিলেন। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আগতদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রেসক্রিপশনে লিখে তার পছন্দমত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রেরণ করেছিলেন। দন্ডপ্রাপ্ত ঐ ভূয়া চিকিৎসককে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা গণ।
উল্লেখ্য, এর আগেও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বহিরাগত একজন ডাক্তার সেজে বহির্বিভাগে রোগী দেখার সংবাদটি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হয়।
জনমনে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি হাসপাতালের পরিচালকের নজর এড়িয়ে এই হাসপাতালটি এভাবেই চলছে?

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান