০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাতৃত্ব হারানো থেকে রক্ষা পেলেন এক প্রসূতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে অবস্থিত জনসেবাক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসোনেগ্রাফির ভূল রিপোর্টের কারনে গর্ভের সন্তান হারাতে বসেছিলেন এক প্রসূতি।

ঘটনায় জানা যায় গত বৃহস্পতিবার( ৭ মে) উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মকরমপুর ঘুন্টি এলাকার মোস্তাক আলীর প্রায় ৫ মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম (৩৫) তার সন্তানের অবস্থা জানতে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক মোজাম্মেল হকের কাছে আল্ট্রাসোনেগ্রাফি করেন। রিপোর্টে তার সন্তানকে মৃত দেখানো হয় এবং তাকে ডিএনসি(গর্ভপাত) করার পরামর্শ দেয়া হয়। রিপোর্ট নিয়ে তাদের সন্দেহ হলে তারা পরের দিন শুক্রবার(৮মে) রহনপুর জেনারেল হাসপাতাল ও আলমদিনা ক্লিনিকে পুনরায় দুদফা আল্ট্রাসোনেগ্রাফি করেন। পরীক্ষায় তাদের সন্তান জীবিত ও সুস্থ রয়েছে বলে দুটি রিপোর্টেই বলা হয়।

ভূল রিপোর্ট দেয়া প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডা. মোজাম্মেল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার দেয়া রিপোর্টের বিষয়ে ভূল স্বীকার করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ১১ এপ্রিল রাতে ওই ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। একই ক্লিনিকে একই চিকিৎসক বার বার ভূল চিকিৎসা অব্যাহত রাখলেও তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

মাতৃত্ব হারানো থেকে রক্ষা পেলেন এক প্রসূতি

প্রকাশিত : ১২:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে অবস্থিত জনসেবাক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসোনেগ্রাফির ভূল রিপোর্টের কারনে গর্ভের সন্তান হারাতে বসেছিলেন এক প্রসূতি।

ঘটনায় জানা যায় গত বৃহস্পতিবার( ৭ মে) উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মকরমপুর ঘুন্টি এলাকার মোস্তাক আলীর প্রায় ৫ মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম (৩৫) তার সন্তানের অবস্থা জানতে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক মোজাম্মেল হকের কাছে আল্ট্রাসোনেগ্রাফি করেন। রিপোর্টে তার সন্তানকে মৃত দেখানো হয় এবং তাকে ডিএনসি(গর্ভপাত) করার পরামর্শ দেয়া হয়। রিপোর্ট নিয়ে তাদের সন্দেহ হলে তারা পরের দিন শুক্রবার(৮মে) রহনপুর জেনারেল হাসপাতাল ও আলমদিনা ক্লিনিকে পুনরায় দুদফা আল্ট্রাসোনেগ্রাফি করেন। পরীক্ষায় তাদের সন্তান জীবিত ও সুস্থ রয়েছে বলে দুটি রিপোর্টেই বলা হয়।

ভূল রিপোর্ট দেয়া প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডা. মোজাম্মেল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার দেয়া রিপোর্টের বিষয়ে ভূল স্বীকার করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ১১ এপ্রিল রাতে ওই ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। একই ক্লিনিকে একই চিকিৎসক বার বার ভূল চিকিৎসা অব্যাহত রাখলেও তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনও কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ