চট্টগ্রাম নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সারাবিশ্বে এক মহামারির নাম। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন দেশে-বিদেশে হাজার হাজার মানুষ। সেই সাথে আক্রান্তও হচ্ছেন।
সারাবিশ্বের মত এই ভাইরাসে বাংলাদেশেও প্রতিদিন আক্রান্ত ও মারা যাচ্ছে মানুষ। এরপরেও টনক নড়ছে না সাধারণ মানুষের।
সারাদেশের মত চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সব ধরণের গণ জমায়েত ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মানুষজন এসব না মেনে বিনা প্রয়োজনে যত্রতত্র চলাফেরা করছে। আর এতে ঝুঁকি বাড়ছে করোনা বিস্তারে।
বড় বড় শপিং মল /দোকান বন্ধ থাকলেও সর্তকতা না মেনে একসঙ্গে জড়ো হয়ে ফুটপাতে হকারের দোকান,ছোট কিছু শপিং মল,সিএনজি অটো রিক্সা ও ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা করে অবাধে চলাচল ও কেনাকাটা করছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিয়ম মানাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন। প্রশাসনের সঙ্গে মনে হয় লুকোচুরিই খেলছেন মানুষ।
পুলিশ একদিকে টহল দিলে মানুষ অন্যদিকে জনসমাগম করে৷ আবার পুলিশ দেখলে সামাজিক দূরত্বের গুরুত্ব আছে পুলিশ না থাকলে এর কোনো বালাই নেই৷ এদিকে উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পার্শ্ববর্তী উপজেলাতে দেদারছে চলাফেরা করছে।
এতে উভয় এলাকার মানুষের মাঝেই করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। এখনো পর্যন্ত এই উপজেলায় ৭জন করোনা রোগি সনাক্ত হয়েছে হাটহাজারী পৌরসভা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো:শাহ আলম জানান,সরকার ১০মে ব্যবসা প্রতিষ্টান খোলার রাখার ঘোষনা দেওয়ার পরও দেশে স্বার্থে আমরা শপিং/দোকান বন্ধ রাখার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছি। তারপর কিছু ব্যবসায়ী খোলা রেখেছে, সরকার নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে আমরা প্রশাসনকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছি।
তারপরও মানছে না।তাই আমরা মঙ্গলবার বিকেলে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে। হাটহাজারী ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (টিএ) মো: মোস্তফিজুর রহমান মুটো ফোনে বলেন আমরা আমাদের পরিবারের কথা চিন্তা না করে দেশের মানুষের জন্য নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি।
কিন্তু আমাদের লোকবল কম হওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট নজরদারী করতে অক্ষম।তারপরও যতটুক সম্ভব চেস্টা করে যাচ্ছি অবাধে যানবাহন চলাচল করতে যাতে না পারে।



















