করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সারা দেশে বেশির ভাগ জেলাতেই ব্যবসায়ী ব্যবসা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে শর্ত সাপেক্ষে ৯ মে বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইয়ামিন হোসেনের সাথে পৌর দোকান মালিক সমন্বয় ব্যবসায়ী সমিতির সভায় সিদ্ধান্তেক্রর্মে সকাল ১০ থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মার্কেট দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অথচ মার্কেট ও দোকানপাট খোলার প্রথম দিনেই শর্ত ভঙ্গ করেছে ব্যবসায়ীরা। এতে করে করোনা বিস্তারের ঝুঁকি বাড়ছে। ১২ মে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পৌরশহরের বায়তুলসাম মার্কেট, রোজা প্লাজা,রেজিয়া সুপার মার্কেট, চেয়ারম্যান মার্কেট, মাহাবুব মার্কেট ও উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে দেখা যায়,বর্ধিত অংশে জুতার দোকান, কাটা কাপড়ের দোকান ও গার্মেন্টসগুলোতে উপচে পড়া মানুষের ভিড়। গায়ে গা লাগিয়ে কেনাকাটা করছে ক্রেতারা। বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নেই। মার্কেটের গেটে পরীক্ষা করা হচ্ছে না শরীরের তাপমাত্রা। কিছু কিছু মার্কেটের সামনে সাবান ও পানীর ব্যবস্থা থাকলেও তদারকি করার কেউ না থাকায় ব্যবহার করছে না কেউই। শপিংমল সমৃহের প্রবেশ মুখে ক্রেতাকে দোকানে হ্যান্ডস্যানিটাইজার রাখা, মাস্ক পরিধান ব্যতীত কোন ক্রেতাকে দোকানে প্রবেশ করতে না দেওয়া,সকল বিক্রেতা,দোকান কর্মচারীকে মাস্ক ও হান্ডগ্লোভস পরিধান করা, প্রতিটি শপিংমল সমৃহের সামনে সতর্কবাণী “স্বাস্থ্য বিধি না মানলে মৃত্যুর ঝুঁকি আছে ” সম্মিলিত ব্যানার টানানো, প্রবেশমুখে ক্রেতাদের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোন ক্রেতার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে শপিংমলে ঢোকা থেকে নিরত রাখা,সামাজিক ও শারিরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ক্রেতাদের ১মিটার অন্তর ৩ ফুট দূরত্বে দাঁড়াতে বলা প্রয়োজনে দাগ টেনে দেয়া, শপিংমলে ক্রেতার সংখ্যা সীমিত রাখা, গণশৌচগারে পর্যাপ্ত সাবান পানি, ময়লা ফেলার ক্যান রাখা এবং দোকানে চেয়ার সংখ্যা সীমিত করতে হবে এবং চোয়ারগুলোর মাঝখানে ৪ ফুট দূরত্ব নিশ্চিত করার শর্ত সাপেক্ষে দোকানপাট খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রশাসনের সেই শর্তগুলো উপেক্ষা করে চলছে দোকান ও মার্কেটে কেনাকাটা। এতে করোনা বিস্তারের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এব্যাপারে এন ইসলাম বস্ত্র বিতানের ব্যবসায়ী ও পৌর দোকান মালিক সমন্বয় সমিতির কোষাধক্ষ মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের সকল শর্ত বাস্তবায়নের জন্য সঠিকভাবে আইন মানার চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়ামিন হোসেন বলেন, সরকারি আদেশ যদি কোন ব্যবসায়ী না মানে তাহলে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ



















