টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপে ৪০০ পিচ ইয়াবাসহ শামসুল আলম (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।আটক যুবক উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়ার আব্দুল হাকিমের ছেলে।এই সব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শাহ পরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ এসআই দীপক বিশ্বাস।
বুধবার ১৩ মে আনুমানিক বিকাল ৪ টার দিকে শাহ পরীর দ্বীপ বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে বাজার কমিটি ও জনগণের সহয়তায় পুলিশ তাকে আটক করে। দীপক বিশ্বাস জানান, শাহ পরীর দ্বীপ বাজার সংলগ্ন এলাকায় ধৃত আসামী ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করে।পুলিশ ও জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন আসামী পালানোর চেষ্টা করলে বাজার কমিটি ও জনতার সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
পরে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৪০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ আসামীর কাছ থেকে জানতে পারে উদ্ধার করা ইয়াবা সহ মোট ১০০০ পিচ ইয়াবা আনেন দুইজন খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীকে বিক্রি করার জন্য।তার মধ্যে ৬০০ পিচ বিক্রি করে দেয় উত্তর পাড়ার শরীফ হোসেনের (প্রকাশ বাইট্টা) ছেলে নুরল আফসারকে (৩২)।
বাকি ৪০০ পিচ কোনার পাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে ইলিয়াছকে (৪০) বিক্রি করার জন্য বাজারে অবস্থান করলে পুলিশ জনগনের সহয়তায় তাকে আটক করে। দীপক বিশ্বাসের ভাষ্যমতে, নুরুল আফসার ও ইলিয়াছ বড় মাপের ইয়াবা ব্যবসায়ী।আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও দেশের করোনা পরিস্থিতির কারনে তারা এলাকায় খুচরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।তাদেরকে ধরার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
এ ছাড়া শাহ পরীর দ্বীপে আরও অনেকে এখনও খুচরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।সকল খুচরা ও পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ীদেরকে খুব শিঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। এলাকার গন্যমান্য বক্তিরা বলেন, এই সব পাইকারি ও খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কারনে সমাজের উঠতি বয়সের ছেলেরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
সেই সব খুচরা ও পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দমানো না গেলে পুরু এলাকা ধ্বংস হয়ে যাবে বলেন জানান। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ধৃত আসামী ও পলাতক দুই আসামী সহ তিন জনের বিরুদ্ধে মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন চলছে।মামলা শেষে ধৃত আসামীকে আদালতে প্রেরন করা হবে।



















