০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসতে লাগতে পারে ৪-৫ বছর

ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌমিয়া সোমিনাথান

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক শীর্ষ কর্মকর্তা। ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌমিয়া সোমিনাথানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইল মেইল।

এফটি’র গ্লোবাল বোর্ডরুম ডিজিটাল সম্মেলনে সৌমিয়া সোমিনাথান বলেন, ‘আমি চার থেকে পাঁচ বছরের একটি সময়সীমার কথা বলতে চাই। এই সময়ের মধ্যে আমরা এটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।’

তিনি বলেন, সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ভ্যাকসিন। তবে এর কার্যকারিতা এবং সুরক্ষা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে ভ্যাকসিন উৎপাদন ও সুষম বন্টন নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

এদিকে, জেনেভায় ডব্লিউএইচও’র সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সি প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইক রায়ান বলেন, কবে নাগাদ এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে তা কেউ অনুমান করতে পারছে না। তবে বিভিন্ন দেশে লকডাউন শিথিলের বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখনই নভেল করোনাভাইরাস মহামারির সমাপ্তি হচ্ছে না। বছরের পর বছর এতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাবে মানুষ। মানবজাতির জন্য দীর্ঘস্থায়ী সংকট হিসেবে কমিউনিটিতে রয়ে যাবে এই ভাইরাস।

গত বছরের ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম প্রাণঘাতী করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১২টি দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।

পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ৮০৬ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২০১ জন। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৬২ হাজার ৩২৯ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসতে লাগতে পারে ৪-৫ বছর

প্রকাশিত : ০৫:০৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক শীর্ষ কর্মকর্তা। ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌমিয়া সোমিনাথানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইল মেইল।

এফটি’র গ্লোবাল বোর্ডরুম ডিজিটাল সম্মেলনে সৌমিয়া সোমিনাথান বলেন, ‘আমি চার থেকে পাঁচ বছরের একটি সময়সীমার কথা বলতে চাই। এই সময়ের মধ্যে আমরা এটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।’

তিনি বলেন, সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ভ্যাকসিন। তবে এর কার্যকারিতা এবং সুরক্ষা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে ভ্যাকসিন উৎপাদন ও সুষম বন্টন নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

এদিকে, জেনেভায় ডব্লিউএইচও’র সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সি প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইক রায়ান বলেন, কবে নাগাদ এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে তা কেউ অনুমান করতে পারছে না। তবে বিভিন্ন দেশে লকডাউন শিথিলের বিষয়ে সতর্ক করেছেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখনই নভেল করোনাভাইরাস মহামারির সমাপ্তি হচ্ছে না। বছরের পর বছর এতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাবে মানুষ। মানবজাতির জন্য দীর্ঘস্থায়ী সংকট হিসেবে কমিউনিটিতে রয়ে যাবে এই ভাইরাস।

গত বছরের ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম প্রাণঘাতী করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১২টি দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।

পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ৮০৬ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২০১ জন। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৬২ হাজার ৩২৯ জন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর