০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

ভেজাল ঘি’র বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত

চট্টগ্রামে হাটহাজারীতে বিভিন্ন কেমিক্যাল ও রং মিশ্রিত করে ভেজাল ঘি তৈরি করছে কিছু অসাধু ব্যাক্তি এবং বেশী মুনাফা লাভে এই ঘি বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।এই ভেজার ঘি’র বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৬ মে) সকালে বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: রুহুল আমিন। উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জানা যায়,পামওয়েল এর সাথে রং এবং কয়েকটি কেমিক্যাল দিয়ে ৭/৮ ব্রান্ডের ঘি তৈরি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।
তারা আমাদের গাড়ির প্রতি চোখ রাখেন। রাস্তায় দুইজন সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকেন। যখনই ইউএনওর গাড়ি আসবে তারা তালা দিয়ে পালিয়ে যান। প্রতিবারই তালা ভেঙে কারখানায় ঢুকতে হয়েছে।
মুদির দোকানদার শতভাগ নিশ্চিত যে এটা ঘি না, এটা পামওয়েল এর সাথে নানান কেমিক্যাল দিয়ে মেশানো একটি কেমিক্যাল। এই ঘি বিক্রি করলে তাদের দোকান থেকে অন্যান্য পণ্য বিক্রি হবে, তাই তারা জেনেশুনেই হাটহাজারী বাসীকে বিষ খাওয়াচ্ছেন।
ইউএনও রুহুল আমিন জানান, এখন পর্যন্ত মোট ১৯ টি কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে, ভিডিও করে দোকানে দোকানে গিয়ে দেখানোও হয়েছে তবুও মুদির দোকানদাররা অধিক মুনাফার লোভ সামলাতে পারছেন না।
আসুন নিজের পরিবারের সদস্যদের যেভাবে ভালবাসি, দেশের সকল মানুষকেও ঠিক সেভাবে ভালবাসতে চেষ্টা করি। তাহলে এভাবে অন্যের মুখে বিষ তুলে দেয়া বন্ধ হবে।

 

ট্যাগ :

পশ্চিমবঙ্গে ১৬৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি

ভেজাল ঘি’র বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত

প্রকাশিত : ০৫:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২০
চট্টগ্রামে হাটহাজারীতে বিভিন্ন কেমিক্যাল ও রং মিশ্রিত করে ভেজাল ঘি তৈরি করছে কিছু অসাধু ব্যাক্তি এবং বেশী মুনাফা লাভে এই ঘি বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।এই ভেজার ঘি’র বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৬ মে) সকালে বিভিন্ন দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: রুহুল আমিন। উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জানা যায়,পামওয়েল এর সাথে রং এবং কয়েকটি কেমিক্যাল দিয়ে ৭/৮ ব্রান্ডের ঘি তৈরি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।
তারা আমাদের গাড়ির প্রতি চোখ রাখেন। রাস্তায় দুইজন সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকেন। যখনই ইউএনওর গাড়ি আসবে তারা তালা দিয়ে পালিয়ে যান। প্রতিবারই তালা ভেঙে কারখানায় ঢুকতে হয়েছে।
মুদির দোকানদার শতভাগ নিশ্চিত যে এটা ঘি না, এটা পামওয়েল এর সাথে নানান কেমিক্যাল দিয়ে মেশানো একটি কেমিক্যাল। এই ঘি বিক্রি করলে তাদের দোকান থেকে অন্যান্য পণ্য বিক্রি হবে, তাই তারা জেনেশুনেই হাটহাজারী বাসীকে বিষ খাওয়াচ্ছেন।
ইউএনও রুহুল আমিন জানান, এখন পর্যন্ত মোট ১৯ টি কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে, ভিডিও করে দোকানে দোকানে গিয়ে দেখানোও হয়েছে তবুও মুদির দোকানদাররা অধিক মুনাফার লোভ সামলাতে পারছেন না।
আসুন নিজের পরিবারের সদস্যদের যেভাবে ভালবাসি, দেশের সকল মানুষকেও ঠিক সেভাবে ভালবাসতে চেষ্টা করি। তাহলে এভাবে অন্যের মুখে বিষ তুলে দেয়া বন্ধ হবে।